নারায়ণগঞ্জ-৫ শহর ও বন্দর আসনের উপনির্বাচনে নলুয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসয় কেন্দ্রে স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারসের পোলিং এজেন্টে বের করে দেওযার ও পোলিং এজেন্টদের হুমকি ধমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টায় এ ঘটনা ঘটে।

আনরস প্রতীকের পোলিং এজেন্ট রনি মাহমুদ টাইমনিউজবিডিকে জানান, আমি আমার জীবনের নিরাপত্তা চাই। আমাদের ৪ জন পোলিং এজেন্ট ছিলো কিন্তু তাদেরকে বাহির করে দিয়েছে স্থানীয়  ক্ষমতাসীনরা। পোলিং এজেন্ট নিলয় দাস, সত্যজিৎ দাস ও ধীমান কুমার রায়কে হুমকি ধামকি দিয়ে বাহির করে দিয়েছে।  এই কেন্দ্রে বিপুল পরিমান জাল ভোট হচ্ছে। কাউন্সিলার কামরুল হাসান মুন্না এজন্টের দের নামের লিষ্ট নিয়ে গেছে। আমি এই কেন্দ্র বন্ধের দাবী জানাচ্ছি।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আনারসের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম ওই কেন্দ্রে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে হৈচৈ করে ওঠে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা। এসময় জাপা নেতা মেজবাহউদ্দিন ভুলুসহ অন্যরা দাবি করেন এ ধরনের কোন ঘটনাই ঘটেনি। কেন্দ্রের সামনে জাতীয় পার্টি, আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী ছাড়াও ১৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ সভাপতিও উপস্থিত ছিলেন। এসময় মৃদু উত্তেজনার সৃষ্টি হলেও তেমন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি 

এদিকে নিলয়কে ২ ঘন্টা আটকে রাখার পরে সকাল ১১ টার দিকে কাউন্সিলর মুন্না তাকে ছেড়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন আনারসের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম।

এ বিষয়ে নলুয়া ইসলামীয়া মাদ্রাসার প্রিজাডিং অফিসার মোহাম্মদ মাসুদ রহমান টাইমনিউজবিডিকে জানান, যে অভিযোগ দেওয়া  হয়েছে তা এবারে মিথ্যা। এখন পর্যন্ত তাদের কোন পোলিং এজেন্ট আসেনি।শুধু তিনি নিজেই এসেছে। আর আমার সামনে তেমন কোন কিছু হয়নি। আর কামরুল হাসান মুন্নাকে আসতে দেখি নাই।

ঢাকা, ২৬ জুন(টাইমনিউজবিডি.কম)//এনএস