ভোলার উন্নয়নে বড় বাধা হচ্ছে নদী ভাঙন। তাই যে কোনো মূল্যে নদী ভাঙন থেকে ভোলাকে রক্ষা করা হবে।
শুক্রবার দুপুরে সদরের ইলিশা ইউনিয়নে ভাঙন কবিলত এলাকা পরিদর্শন শেষে আয়োজিত জনসভায় পানি সম্পদ মন্ত্রী আনিছুল ইসলাম মাহমুদ ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ পৃথক বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, ভাঙনের কারণে ইলিশা ও রাজপুরের বহু পরিবার গৃহহারা হয়ে গেছে। সড়ক ভেঙে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে ভোলার সঙ্গে ২১ জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা।
তিনি বলেন, আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি দেশের মধ্যে ভোলাকে সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী জেলার রুপান্তিত করার। কিন্তু এর উন্নয়নে প্রধান বাধা হয়ে দাড়িয়েছে নদী ভাঙন। তাই জেলা রক্ষা করতে হলে যে কোনো মূল্যে ভাঙন রোধ করতে হবে।
পানি সম্পদ মন্ত্রী আনিছুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, দেশের যেখানেই সমস্যা হয় সেখানেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমাদের যেতে হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ভোলার নদী ভাঙন সমস্যায় আমাদের আসতে হয়েছে। এ জেলার নদী ভাঙন রোধে যত অর্থ ব্যয় হোক না কেন, কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তিতে স্থায়ী পদক্ষেপ নিয়ে ভোলাকে ভাঙন থেকে রক্ষা করা হবে।
এ সময় পানি সম্পদমন্ত্রী ভোলার ভাঙন রোধে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনসাধারণের সহযোগীতা কামনা করেন।
সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেনের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাঈনুল হোসেন বিপ্লব, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম গোলদার, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম নকিব, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার শফিকুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ইউনুস ছাড়াও দলীয় অঙ্গ সংগঠনের নেতারা।
এছাড়াও পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহা পরিচালক ইসমাইল হোসেন, জেলা প্রশাসক সেলিম রেজা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তরা উপস্থিত ছিলেন।
এরআগে সকাল থেকেই ভোলা-লক্ষীপুর-বরিশাল সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে দাড়িয়ে ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে ভোলার ভাঙন রোধে কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এএইচ





