গাইবান্ধা জেলার একমাত্র নদী মাতৃক এলাকা হিসাবে খ্যাত সাঘাটা উপজেলা। উপজেলার পাশ দিয়ে বয়ে গেছে যমুনা নদী। চলতি বর্ষা মৌসুমে ওই যমুনার পেটে চলে গেছে ৭ শতাধিক বসতবাড়ি।

বিশেষ করে উপজেলার গোবিন্দি গ্রাম এলাকায় নদী ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারণ করেছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে এসব পরিবার এখন বিভিন্ন বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে।

তবে অব্যহত ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা করতে কয়েক লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত গোবিন্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাত্র ৯১ হাজার টাকায় নিলামে বিক্রয় করা হয়েছে।

সোমবার সরেজমিনে গেলে, ওই গ্রামের কৃষক মনোয়ারল হক জানান, গোবিন্দি কবরস্থান ও ঈদগাহ মাঠসহ গ্রায় ৫০ বিঘা আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

সাঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সুইট জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবহেলায় গোবিন্দিতে নদী ভাঙ্গন বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। সময়মতো ভাঙ্গন প্রতিরোধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল আউয়াল মিয়া জানান, ওই এলাকার ভাঙ্গন প্রতিরোধে এক কোটি টাকার একটি প্রকল্পের কাজ করার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছিল। কিন্তু ৫০ লাখ টাকার কাজ করার পর ভাঙ্গন প্রতিরোধ করা সম্ভব না হওয়ায় ওই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে।

এআই/