অপরাধী শনাক্ত করে ধরা ও যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়গুলো নিশ্চিত করতে ‘সেফ সিটি প্রজেক্ট’ (নিরাপদ শহর) গ্রহণ করতে যাচ্ছে সরকার।

আজ বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ‘ডিজিটাল কেস ডায়েরি’ এর উপর পর্যালোচনা সভা শেষে একথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

এর আগে তিনি ৯৯৯ এ কল দিয়ে সেবাগ্রহণ সংক্রান্ত এক সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৮ সাল থেকে সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে। ‘সেফ সিটি’ প্রকল্পের বিবরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রথমে আমরা ঢাকা সিটি করপোরেশনকে এ প্রকল্পের আওতায় আনব। পর্যায়ক্রমে আমরা অন্যান্য সিটি করপোরেশনগুলোকেও এ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করব।’

সেফ সিটির বিষয়টি অনেক দিন ধরে চিন্তা করছি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরে ছয় হাজার পাকা রাস্তা রয়েছে। আমরা সারা ঢাকায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিভিন্ন ধরনের ক্যামেরা স্থাপন করবো।

‘এখানে আমরা ট্রাফিক কন্ট্রোল করবো। যানজটে পড়ে সময়মতো যেতে পারেন না, যানজটের কবলে পড়ে আপনারা অনেকেই কষ্ট পান। সেটা নিরসনের জন্য আমরা ট্রাফিক মানেজমেন্ট সেফ সিটির মধ্যে নিয়ে আসছি। গাড়িগুলোকে শনাক্তকরণের জন্য গাড়ির নম্বর প্লেট দিয়ে সেই ধরনের ব্যবস্থা করছি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা শহরে ৬৫০ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। এ সড়কে ১৪ থেকে ১৬ হাজার সিসিটিভি বসানো হবে। তাহলে মূল সড়কগুলো সিসিটিভির আওতায় চলে আসবে। এখানো কোনো ধরনের অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সাথে সাথেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।’ সব ধরনের অপরাধ কমে আসবে বলে আশা করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘থানাগুলাতে ডিজিটাল জিডি (সাধারণ ডায়েরি) করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এতে যে কেউ থানায় না গিয়ে অনলাইনে জিডি করতে পারবেন। এ জন্য এক সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে। প্রথমদিকে হারানো সংক্রান্ত জিডি অনলাইনে করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’

এএস