খিলগাঁওয়ে নারী পুলিশ কনস্টেবল ধর্ষণের ঘটনার ফরেনসিক প্রতিবেদনে মূল অপরাধী খিলগাঁও থানার প্রাক্তন এএসআই কলিমুর রহমানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পুলিশের হাতে পৌঁচেছে। আজ আদালতে হাজির করে তার জন্য দশ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সাংবাদিক সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম-কমিশনার মনিরুল ইসলাম এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, নারী পুলিশ কনস্টেবল ধর্ষণের ঘটনার মূল অপরাধী খিলগাঁও থানার প্রাক্তন এএসআই কলিমুর রহমানকে বুধবার সকালে কক্সবাজারের কলাতলী একটি আবাসিক হোটেল থেকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পূর্ব বিভাগেরে একটি দল।
মনিরুল ইসলাম বলেন, তাকে যেহেতু ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করেছে সেহেতু এই মামলার তদন্ত কাজ ডিবি পুলিশই করবে। আজ তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে এবং দশ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হবে।
তিনি বলেন, ধর্ষণের ঘটনার ফরেনসিক প্রতিবেদন আমাদের হাতে এসেছে এবং কলিমুরের জড়িত থাকার বিষয়টি সেখানে প্রমাণ হয়েছে। যেখানে ওই নারী পুলিশ কনস্টেবলকে সে জোরপুর্বক ধর্ষণ করেছে বলেও উল্লেখ রয়েছে।
তার সাথে আর কারা জড়িত ছিলো এমন প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, বিজ্ঞ আদালতে ২২ ধারায় যে জবান বন্দি দিয়েছে সেইটার পর্যালোচনা করে এবং রিমান্ডে নিয়ে তার স্বিকারোক্তি থেকে বাকি আসামীদের গ্রেফতারের ব্যাপারে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।
তাকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ কি না সে ব্যাপারে মনিরুল ইসলাম বলেন, মেডিকেল প্রতিবেদনে তেমনটি বলার কোন সুযোগ নেই এবং সেখানে তেমনটি কিন্তু বলাও হয়নি। তবে সঙ্গবদ্ধভাবে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল এটি তার জবান বন্দি থেকে বেরিয়ে এসেছে।
ধর্ষণের সাথে জড়িত বাকিদের ব্যাপারে তিনি বলেন, জবান বন্দি অনুসারে বাকিদের ধরার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। তবে তার সাথে যারা ছিলো তারা কেউই পুলিশ সদস্য ছিলো না। যারা ছিলো তারা সবাই বহিরাগত।
প্রসঙ্গত, গত ১৩ জুন রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় ওই নারী পুলিশ কনস্টেবলকে (২৫) গণধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে তার প্রাক্তন স্বামী ওই থানার প্রাক্তন এএসআই কলিমুর রহমানের বিরুদ্ধে।
গত বুধবার রাতে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। শনিবার দুপুরে ওই নারীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়।
এমআর/এমকে





