প্রধানমন্ত্রীর ত্বরিৎ সিদ্ধান্তে ১ জুলাই গুলশানের আর্টিজান বেকারির পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার উদ্যোগ নেয়া হয় বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

মঙ্গলবার ( জুলাই ০৫) বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আর্টিজান বেকারি রেস্তোরাঁয় ১ জুলাই (শুক্রবার) রাত আনুমানিক পৌনে নয়টার দিকে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী এলোপাতাড়ি গুলি করতে করতে অতর্কিত প্রবেশ করে। এ সময় রেস্তোরাঁয় অবস্থিত বিদেশি নাগরিক ও অন্যান্যদের তারা জিম্মি করে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্বরিৎ সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে দ্রæত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মিলিটারি অপারেশন্সের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার নাঈম আশফাক চৌধুরীরর নেতৃত্বে ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’ নামে কমান্ডো অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে সেনাবাহিনী ছাড়া বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ, ৠাব, বিজিবি ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অংশ নেন।

শনিবার (২ জুলাই) সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে অপারেশন শুরু হয়। ১৩ মিনিটের মধ্যে সেনাবাহিনীর প্যারাকমান্ডোর নেতৃত্বে যৌথবাহিনী দক্ষতার সঙ্গে সকল সন্ত্রাসীকে পরাভূত করে আর্টিজান বেকারিতে তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। অভিযানের মাধ্যমে ৩ বিদেশিসহ মোট ১৩ জন ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোজাম্মেল হক খান, আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, র‌্যাবের ডিজি বেনজীর আহমেদ, ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া প্রমুখ।

ইআর