রাজধানী গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ হামলার ক্ষত না শুকাতেই আবারো হামলার হুমকি।
এবার এক টুইট বার্তার মাধ্যমে রাজধানীর কুড়িলে অবস্থিত বাংলাদেশ ও এশিয়া মহাদেশের অন্যতম বৃহৎ শপিংমল যমুনা ফিউচার পার্কে হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। কামিল আহমেদ নামে এক ব্যবহারকারী এ টুইট করেছেন।
প্রকাশিত টুইটে বলা হয় আক্রমণের পরবর্তী লক্ষ্য তাদের যমুনা ফিউচার পার্ক।
পরে মন্তব্যের ঘরে ‘কেন বাংলাদেশকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে’ এক ব্যবহারকারীর প্রশ্নের জবাবে জানানো হয়, অমুসলিমদের হাত থেকে ইসলামকে রক্ষার স্বার্থেই এসব পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এবং তারা শুধুমাত্র তাদের কর্তব্যটুকুই পালন করছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একই ব্যবহারকারীর অভিন্ন বার্তা সম্বলিত টুইটের দু’টি স্ক্রিনশট পাওয়া যায়। খুঁজে পাওয়া স্ক্রিনশট দু’টিতে সময়ের ভিন্নতা রয়েছে।

একটি স্ক্রিনশটে রোববার সকাল ১১টা ৪৯ মিনিট ও অপরটিতে সোমবার রাত ১২টা ৪৯ মিনিটে একই বার্তা দিয়ে এই অ্যাকাউন্ট থেকে টুইট করা হয়েছে।
এরপর থেকেই টুইটারে কামিল আহমেদকে উদ্দেশ্য করে জবাব দিতে থাকেন দেশে বিদেশি অবস্থানকারী টুইটার ব্যবহারকারীরা।
উল্লেখ্য, শুক্রবার রাতে গুলশান-২ এর ৭৯ নম্বর সড়কের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালায় জঙ্গিরা। এতে ২০ বিদেশি নাগরিকসহ ২৮ জন নিহত হন।
নিহত হলেন যারা:
ইতালির নয়জন: নাদিয়া বেনেদিত্তো, ভিনসেনজো দ আলেস্ত্রো, ক্লদিও মারিয়া দান্তোনা, সিমোনা মন্টি, মারিয়া রিবোলি, আডেলে পুগলিসি, ক্লদিও চাপেলি, ক্রিস্টিয়ান রোসিস ও মারকো তোনডাট।
সাত জাপানি: তানাকা হিরোশি, ওগাসাওয়ারা, শাকাই ইউকু, কুরুসাকি নুবুহিরি, ওকামুরা মাকাতো, শিমুধুইরা রুই ও হাশিমাতো হিদেইকো।
একজন ভারতীয়: তারিশি জৈন।
তিন বাংলাদেশি: ইশরাত আখন্দ, অবিন্তা কবীর ও ফারাজ হোসেন।
নিহত সাত জাপানির মধ্যে ছয়জন মেট্রোরেল প্রকল্পের সমীক্ষা কাজে নিয়োজিত ছিলেন। তাদের সঙ্গে ওই ক্যাফেতে ছিলেন আরও একজন, যাকে পরে উদ্ধার করা হয়।
এর আগে রাতে রেস্তোরাঁয় হামলার পরপরই সেখানে আটকেপড়াদের উদ্ধারে গিয়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার ওসি সালাউদ্দীন হামলাকারীদের বোমার স্প্লিন্টারে নিহত হন।
এসএম





