সোমবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সঙ্গে অধীনস্থ দফতর ও সংস্থার বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) শেষে বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যেখানে আমরা অন্যায় দেখছি, সেখানে আমরা ছাড় দিচ্ছি না, এটা আপনারাও দেখছেন। করোনা টেস্ট নিয়ে দুটি প্রতিষ্ঠান (রিজেন্ট ও জেকেজি) অন্যায় করেছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। যেখানে এটা দেখা দেবে সেখানেই অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের নজরে এসেছিল, আমরা সেখানে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য বলেছি।

'যেখানে যেটা দেখা যাবে অন্যায়... আমরা চেষ্টা করব... এটা একবারে ফেরানো যায় না...গোটা সমাজের দায়িত্ব আছে। সমস্যা এক জায়গায় না, সমস্যা সব জায়গায় রয়েছে। সব জায়গায় শুদ্ধ হওয়া দরকার।'

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ধরে মন্ত্রী। দুর্ভাগ্য বলতে পারেন- এর অর্ধেক ডেঙ্গু মোকাবিলায় গেছে, বাকি অর্ধেক করোনায় যাচ্ছে। করোনা মোকাবিলায় আমরা সফল। পৃথিবীর মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে কম মৃত্যুহার।

স্বাস্থ্যখাতে বাইরের হস্তক্ষেপ বেশি বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। বলেন, আমাদের স্বাস্থ্যখাতে বাইরের হস্তক্ষেপ, বাইরের ইনফ্লুয়েন্সটা (প্রভাব) অনেক বেশি। এটা কমাতে হবে। এটা কমানো হলে আমরা আরও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারব।

তিনি বলেন, যে সাপ্লাইয়ার তারও 'অনেস্ট' হওয়া উচিত। যে 'বায়ার' তারও 'অনেস্ট' হওয়া উচিত। আমরা যারা বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করি, তাদেরও আমি বলব ইন্টারফেয়ারেন্সটা কমান।

এএস