বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলায় স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেড় সহস্রাধিক শিক্ষক কর্মচারি তাদের ঈদ বোনাস উত্তোলন করতে পারেনি। আর এ কারণে ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবে অনেক শিক্ষক কর্মচারির পরিবার।
মাউশি থেকে ঈদ বোনাস ছাড়ে দেরি হওয়ায় এ বিড়াম্বনায় পড়তে হয়েছে তাদের।
এ উৎসবভাতা ব্যাংকে জমা ও ব্যাংক থেকে উত্তোলনের শেষ দিন ছিল ৩০ জুন। কিন্তু ওই দিন বৃহস্পতিবার বিলের অর্ডার সিট রুপালী ব্যাংকে দাখিল হয়। একদিকে বিল জমার দেয়ার শেষ দিন ও অপরদিকে ব্যাংকের সময়সীমা আড়াইটা পর্যন্ত নির্ধারিত থাকায় অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তড়িঘড়ি বিল জমা দিতে পারলেও বোনাস উত্তোলন করতে পারেনি।
আবার অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ স্বল্প সময়ে তাদের বিল জমাও করতে পারেনি। শত শত শিক্ষক তাদের বোনাস উত্তোলন করতে না পেরে ফিরে গেছেন।
মোরেলগঞ্জ এসবি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু সালেহ ও এইচভি এস হাজী নূরউদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল লতিফ জানান, তারা তড়িঘরি বিলপত্র জমা দিতে পারলেও বিল উত্তোলন করতে না পেরে তাদের বাড়ি ফিরতে হয়েছে খালি হাতে ।
তাছাড়াও এসব শিক্ষক কর্মচারীরা জুন মাসেরও বেতনভাতা পায়নি। রূপালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায়, সময় স্বপ্লতার কারণে শিক্ষক কর্মচারিদের উৎসব ভাতা প্রদানে অন্তরায় ছিল।
এমআইএস





