জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম কলেছেন, দেশে মৌসুমী শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে তাপমাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় সারাদেশেই জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও শ্রমজীবি মানুষ প্রচণ্ড শীতে কষ্ট পাচ্ছেন। তাই আমরা শীতার্ত মানুষের দুর্দশা লাঘবে সীমিত সামর্থ নিয়ে এগিয়ে এসেছি। আশা করি আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা শীতার্ত মানুষের দুর্দশা লাঘবে কিছুটা হলেও সহায়ক হবে।

তিনি দুর্গত মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আশার জন্য সরকার, সকল রাজনৈতিক দল, দাতা সংস্থাসহ সমাজের বিত্তবান মানুষকে এগিয়ে আশার আহবান জানান।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) রাজধানীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের শেরে বাংলানগর দক্ষিণ থানা আয়োজন শীতার্ত মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন। থানা আমীর আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও জোন পরিচালক মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন। উপস্থিত ছিলেন থানা বাইতুল মাল সেক্রেটারি শাহ মজদু উদ্দীন  প্রমূখ।

ড. রেজাউল করিম বলেন, সারাদেশে এবং বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চলে প্রচন্ড শীত পড়েছে। ইতোমধ্যেই চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ৭.৯ ডিগ্রী সেলসিয়াসে নেমে এসেছে। অনেক এলাকায় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় সার্বিক পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। ফলে তাপমাত্রা বিপজ্জনক পর্যায়ে নেমে এসেছে। দেশের দরিদ্র সাধারণ জনগণ ও শ্রমজীবি মানুষ শীতবস্ত্রের অভাবে কষ্ট পাচ্ছেন।

তিনি বলেন, প্রচণ্ড ঠাণ্ডা আবহাওয়ার কারণে একদিকে শীত বাড়ছে, অন্য দিকে শীতবস্ত্র না থাকায় দরিদ্র লোকদের মধ্যে ঠাণ্ডাজনিত কারণে বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভার হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় শীত নিবারণের জন্য দরিদ্র লোকদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

ড. রেজাউল করিম বলেন, জনগণের যেকোনো সমস্যার সমাধান করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কিন্তু দেশে ন্যায়-ইনসাফের ভিত্তিতে কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত না থাকায় জনগণ রাষ্ট্রের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। শীতের প্রকোপে সারাদেশে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলেও সরকার দুর্গত মানুষের কল্যাণে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। বিজ্ঞপ্তি

এমবি