সারাদশে বন্যায় প্রায় ৪৯ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় সোয়া ৫ লাখ ঘরবাড়ি ।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) দুপুর ২টা পর্যন্ত সারাদেশে বন্যা ও দুর্যোগ পরিস্থিতির এ চিত্র তুলে ধরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো-অর্ডিনেশন সেন্টার।
১৭ জেলা থেকে পাওয়া এ তথ্যে বলা হয়, চলমান বন্যায় এ পর্যন্ত দেশের ১৭ জেলায় ৪৮ লাখ ৬৯ হাজার ৫১৬ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ মানুষগুলোর পাঁচ লাখ ৩১ হাজার ৯৪৯টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সারাদেশে এক লাখ ৪০ হাজার হেক্টর জমির ফসল এবং পাঁচ হাজার ২১৪ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, কুড়িগ্রামে ৯ লাখ ৬৫ হাজার ৭৪০ জন, বগুড়ায় ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮২৫ জন, গাইবান্ধায় ৫ লাখ ৯৭ হাজার ৪৯৭ জন, সিরাজগঞ্জে ৩ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ জন, শেরপুরে এক লাখ ১৪ হাজার ৫০০ জন, টাঙ্গাইলে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৭৯৮ জন, জামালপুরে ১২ লাখ ৮৩ হাজার ৭৯০ জন, ফরিদপুরে ৬০ হাজার ২৪ জন, শরিয়তপুরে ৩০ হাজার ৩৭২ জন, রাজবাড়ীতে ১৩ হাজার ৭২৫ জন, মাদারীপুরে ২৯ হাজার ৬৬৫ জন, মানিকগঞ্জে ৭১ হাজার ৬২৬ জন, মুন্সিগঞ্জে ৪ হাজার ১৯০ জন, সিলেটে ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৯৩ জন, সুনাগঞ্জে এক লাখ ৮৫ হাজার ৮১৫ জন এবং হবিগঞ্জে ১৬ হাজার ৪২৫ জন আংশিক বা পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জাতীয় দুর্যোগ সাড়াদান ও সমন্বয় কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী আংশিক ও সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ির সংখ্যা পাঁচ লাখ ৩১ হাজার ৯৯৪টি। এর মধ্যে কুড়িগ্রামে ২ লাখ ৪০ হাজার ৫২৫টি, বগুড়ায় ৩ হাজার ৭৩টি, গাইবান্ধায় ৬১ হাজার ৩৭০টি, সিরাজগঞ্জে ৫০ হাজার ৫২৮টি, শেরপুরে ২ হাজার ২৯৫টি, টাঙ্গাইলে ২৮ হাজার ৩৯৫টি, জামালপুরে ৫২ হাজা ৮৩০টি, ফরিদপুরে ১০ হাজার ৫৭৭টি, রাজবাড়ীতে ৪০০টি, মাদারীপুরে ২৮ হাজার ৫৬৩টি, মানিকগঞ্জে ১৯ হাজার ৮৮৯টি, মুন্সিগঞ্জে ৯২০টি, সিলেটে ২২ হাজার ৯৪১টি, সুনামগঞ্জে ৭ হাজার ৭৫টি এবং হবিগঞ্জে ২ হাজার ৬২৩টি ঘরবাড়ি রয়েছে।
বর্তমানে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নীলফামারী, লালমনিরহাট, নেত্রকোণা, মৌলভীবাজারের বন্যার পানি নেমে গেছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ সাড়াদান ও সমন্বয় কেন্দ্র।
জেড





