বগুড়ার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ের ৫ দিন পরেও শহরের বিদ্যুত সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। এখনও হাজার হাজার মানুষ চরম কষ্টে রয়েছেন। তবে বিদ্যুত বিভাগ দিনরাত মেরামত কাজ করছেন। এ ছাড়া গ্রামে কবে বিদ্যুত যাবে তা কেউ বলতে পারছেন না।

গত শনিবার সন্ধায় বগুড়া জেলার উপর দিয়ে ঘন্টায় ১০০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড়ো বাতাশ ও শিলা বৃষ্টি হওয়ায় জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এসময় বাড়ি-ঘরের সাথে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় বিদ্যুত'র লাইন।

বিদ্যুত বিভাগ বলেছে, তিনশো টি খুটি সম্পূর্ন ও ৫৫টি খুটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসময় ৩৩ কেভি , ১১ কেভি সহ বিভিন্ন ধরনের খুটি মাটি পড়ে। ওই রাত থেকে কাজ করে প্রথমে শহরের সূত্রাপুর ও জলেশ্বরীতলায় ২৪ ঘন্টা পর প্রথম বিদ্যুত সরবরাহ করে বিদ্যুত বিভাগ। এরপর পর্যায়ক্রমে শহরের অন্যান্য এলাকায় বিদ্যুত যায। কিন্তু ঘটনার ৫দিন পরেও শহরের প্রায় ২০ ভাগ এলাকায় বিদ্যুত যায়নি। এতে ওই সব এলাকার মানুষের জনজীবনে চরম দূর্ভোগ নেমে এসেছে।

বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ড (বিইউবো ) বগুড়া- ২ – বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ তোফাজ্জল হোসাইন প্রামাণিক বলেন, দিনরাত পরিশ্রম করে প্রায় ৮০ ভাগ এলাকায় বিদ্যুত সরবরাহ দেয়া হয়েছে। আগামী শনিবারের মধ্যে সকল গ্রাহককে বিদ্যুত দেয়া হবে।

কেএইচ