ওজনে কম দিয়ে গ্রাহকদের প্রতারিত করার অভিযোগে চট্টগ্রামের একটি লবণ কারখানাকে তিন লাখ টাকা জরিমানা গুণতে হচ্ছে।

বুধবার চট্টগ্রামের ইয়াকুব নগরে অভিযান চালিয়ে মেসার্স মালেক সন্সকে এই জরিমানা করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিম রুহুল আমিন।

এই কোম্পানির লবণের প্যাকেটে ওজন ৫০০ গ্রাম লেখা থাকলেও ভ্রাম্যমাণ আদালত মেপে ২৫০ গ্রাম পেয়েছে। স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রে উৎপাদিত বলা হলেও সনাতন পদ্ধতিতে লবণ প্যাকেটজাত হচ্ছিল।

ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমিন বলেন, “প্যাকেটের গায়ে ওজন, উৎপাদন সম্পর্কে ভুল তথ্য ও লবণে আয়োডিনের অনুপস্থিতি পাওয়া গেছে মালেক সন্সের লবণ কারখানায়।”

তিনি জানান, প্যাকেটে ২৫০-৩০০ গ্রাম লবণ দিয়ে সেটা ৫০০ গ্রামের প্যাকেট এবং ৭৫০ গ্রাম লবণের প্যাকেটের গায়ে লেখা হয়েছে ১০০০ গ্রাম বা এক কেজি।

“নোংরা পরিবেশে লবণ সংরক্ষণ, আয়োডিনের অনুপস্থিতি, ওজন ও উৎপাদন সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়ায় মালেক সন্সকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।”

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান দেখে কারখানা মালিক পালিয়ে যান বলে জানান ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমিন। অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ নুরুল আলম ও শান্তা রহমানও ছিলেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির রাহমান সানি নেতৃত্বাধীন আরেকটি ভ্রাম্যমাণ আদালত নগরীর মাঝিরঘাট এলাকায় আয়োডিনবিহীন লবণ খোলা বাজারে বিক্রি করায় এক লবণ কারখানাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে।

জেলা প্রশাসনের আরেকটি ভ্রাম্যমাণ আদালত যানবাহনে হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার, লাইসেন্স না থাকা ও হেলমেট ছাড়া মোটর সাইকেল চালানোয় ১২ মামলায় সাত হাজার ২০০ টাকা আদায় করেছে।

এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাবরিনা রহমান।

এমআইএস