ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৩৬ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর প্রতীক "ঘুড়ি" ব্যাজ লাগিয়ে ও আনসার বাহিনীর পোশাক পরে ভোট কেন্দ্রে অবস্থান করছে ছাত্রলীগ কর্মীরা।
ছাত্রলীগ কর্মীরা “আদর্শ ঢাকা আন্দোলনের” সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা সালেহ সিদ্দিকীর লাটিম প্রতীকের নির্বাচনী এজেন্টদেরকে মারধর করে বের করে দিয়েছে। এমনকি তাদেরকে নির্বাচন কেন্দ্রের বাহিরেও দাঁড়াতে দিচ্ছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
লাটিম প্রতীকের এজেন্টদের অভিযোগ, ৩৬ নং ওয়ার্ডের ৬টি কেন্দ্রের বাহিরের পরিবেশ ভাল দেখালেও অধিকাংশ বুথে মেয়র প্রার্থী আনিসুল হকের ঘড়ি, কাউন্সিলর প্রার্থী খোকনের ঘুড়ির ব্যাজ লাগিয়ে ও আনসারের পোশাক পরে ছাত্রলীগ কর্মীরা অবস্থান গ্রহণ করছে।
ছাত্রলীগের রমনা সভাপতি মাসুদের নেতৃত্বে শতাধিক ছাত্র, যুব ও শ্রমিকলীগের কর্মীরা ভোর বেলা থেকে বিটিসিএল আইডিয়াল (টি এন্ড টি স্কুল) কেন্দ্রের ২৯ টি বুথে অবস্থান করে।
সকাল ৭টায় লাটিম প্রতিকের এজেন্টরা প্রিজাইডিং অফিসারের নিকট পোলিং এজেন্ট নিয়োগ ফরম জমা দিয়ে বিভিন্ন বুথে বসতে গেলে ভেতরে অবস্থানরত ছাত্রলীগ কর্মীরা আইন-শৃঙ্খলা বহিনীর সামনে এজেন্টদের মারধর করে কাগজপত্র রেখে তাড়িয়ে দেয়।
লাটিমের এজেন্টরা প্রিজাইডিং অফিসারকে বিষয়টি অবহিত করলেও তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
সকাল ৮টায় নয়াটোলা মাদরাসা কেন্দ্রে যুবলীগ নেতা ভোলার এমপি নুরুন্নবী শাওন শতাধিক নেতা-কর্মী নিয়ে কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করে।
শেরে বাংলা স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে গেলে লাটিমের কর্মী এডভোকেট মনিরুজ্জামানকে ছাত্রলীগ কর্মীরা ব্যাপক মারধর করে ও সেখান থেকে ৪ জনকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
লায়ন্স স্কুল কেন্দ্রে ছাত্রলীগ নেতা দীপনের নেতৃত্বে অবস্থান গ্রহণ করে ব্যাপক জালভোট প্রদান করছে, হুমকি-দমকি দিয়ে অনেক ভোটারকে মারধর করে তাড়িয়ে দিয়েছে।
জেডআই





