মির্জাপুর উপজেলার বংশাই ও লৌহজং নদী অবৈধভাবে দখল করে ইট ভাটা স্থাপন করেছে প্রভাবশালীরা। এতে সরকারের কোটি টাকার জমি বেদখল হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মির্জাপুর উপজেলার উত্তরে বংশাই নদীর ত্রিমোহন গোড়াইল, কোদালিয়া, সৈয়দপুর, হাটুভাঙ্গা, আজগানা এবং দক্ষিণে লৌহজং নদীর বাইমহাটি, দেওহাটা ও বহুরিয়া এলাকার প্রভাবশালী মহল নদী দখল করে ইট ভাটা স্থাপন করে ব্যবসা চালিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। একদিকে নদী দখল করে অবৈধভাবে ইট ভাটা স্থাপন অপরদিকে নদীর তীর ও জেগে ওঠা চর থেকে অবৈধভাবে মাটি এবং বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এতে সরকারের কোটি টাকার সম্পত্তি হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে অপরদিকে অস্তিত্ব হারাচ্ছে নদীর গতিপথ।

গোড়াই এলাকার মো. শামসুল হক সিদ্দিকী ও হাটুভাঙ্গা এলাকার হারুন সিকদার অভিযোগ করেন, একসময় এ নদীতে বাঁধ দিয়ে এলাকার কৃষকরা চাষাবাদ করতো এবং মাছের চাহিদা পূরণ হতো। এককালের খরসে্রাতা সেই বংশাই ও লৌহজং নদী ভূমি-খেকোদের আগ্রাসনে পড়ে হারাচ্ছে নাব্যতা ও গতিপথ।

মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সেলিম রেজা বলেন, নদীর তীর দখল করে একটি মহল ইট ভাটা স্থাপন করছে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। নদী দুটি রক্ষার জন্য শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জেআই