নীলফামারী সদ্য জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাত নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচিত সদস্য ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান উক্ত এলাকার মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বাবু (৫০) এর আর শপথ গ্রহন করা হলো না।
আজ বুধবার (১৮ জানুয়ারী) সকাল ১১টায় ঢাকার ওসমানী মিলনায়তনে সারা দেশের জেলা পরিষদে নির্বাচিত সকল সদস্যের সঙ্গে তারও শপথ নেয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি পৃথিবী সকল মায়া ত্যাগ করে চলে গেছেন না ফেরার দেশে( ইন্নালিল্লাহি... রাজিউন)।
নিহতের পরিবার ও একই নির্বাচনে নির্বাচিত অন্যান্য সদস্যের সুত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ১১টায় ঢাকার ওসমানী মিলনায়তনে জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এলজি আরডি মন্ত্রী মো. মোশাররফ হোসেন শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
এ জন্য নীলফামারী জেলা পরিষদের সাত নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বাবু সহ সকল সদস্যগন গতকাল সোমবার (১৬ জানুয়ারী) বিকেলে বিমান যোগে ঢাকায় পৌছায়।বাবু ঢাকার ফার্মগেট হোটেলে উঠেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে তিনি হোটেলেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরে তাকে সোহরাওয়ার্দী হৃদরোগ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জিলহাজ উদ্দিন জানান, গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর জেলা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফলে সাত নম্বর ওয়ার্ডে মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী ২২ ভোট এবং তার প্রতিদ্বন্দী মিজানুর রহমান ২২ ভোট পায়। সমান সংখ্যক ভোট হওয়ায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অবস্থিত জেলা পরিষদ নির্বাচন কণ্ট্রোল রুমে সে রাতেই লটারীর মাধ্যমে মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বাবু নির্বাচিত হন।
লটারীর পর ফলাফল ঘোষনা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক জাকীর হোসেন। নিহত বাবুর এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বাবু ডোমারের সোনারায় ইউনিয়নে তিন দফা মেয়াদে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার স্ত্রী এবং দুই ছেলে রয়েছেন।তিনি ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের ধনীপাড়া গ্রামের মৃত কাবুল চৌধুরীর ছেলে। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
এদিকে বাবুর পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, আজ বুধবার (১৮ জানুয়ারী) সকাল ১১টায় নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
সুজন/এআই





