রাজধানীর তুরাগ থানার কামাড়পাড়া এলাকায় গৃহশিক্ষক কর্তৃক নয় বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

১১ জুন বিকেলে ওই শিক্ষার্থীর বাসায় ঘটনাটি ঘটলেও ভয়ে শিশুটি সেটি প্রকাশ করেনি। রবিবার সকালে সে পেটে ব্যথা অনুভব করায় বিষয়টি তার মাকে জানায়। মা তুরাগ থানার শরণাপন্ন হন। পরে থানা পুলিশের সহায়তায় রবিবার বিকেলে শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়।

তুরাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) সাঈদুল হক ভূইয়া এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানান, শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেলে আনা হয়েছে। শিশুটির মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

শিশুটির মা জানান, সোহাগ (১৮) নামের ওই গৃহশিক্ষক কয়েকমাস ধরে তার মেয়েকে পড়াত। ১১ জুন বিকেলে মেয়েকে বাসায় একা পেয়ে সে ধর্ষণ করে এবং বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য ভয় দেখায়। ভয়তে সে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। রবিবার পেটে ব্যথা অনুভব করলে সে বিষয়টি আমাকে জানায়। পরে এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করে ঢাকা মেডিকেলে মেয়ের চিকিৎসা করাতে নিয়ে আসি।

দায়ী গৃহশিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন মা।

এএইচ