সিলেট নগরীর একটি বাসায় মা ও ছেলে খুনের ঘটনায় ওই বাড়ির গৃহকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পিবিআই সিলেটের বিশেষ পুলিশ সুপার রেজাউল করিম মল্লিক জানান, সোমবার ভোরে কুমিল্লার তিতাস এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে আটক গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার তানিয়ার বাড়ি কুমিল্লায় বলে পুলিশ জানায়।
গত ১ এপ্রিল সিলেট নগরীর মিরাবাজার খাঁরপাড়ার মিতালী আবাসিক এলাকার তৃতীয় তলা ভবনের নিচ তলার একটি কক্ষ থেকে রোকেয়া বেগম (৪০) ও তার ১৬ বছর বয়সী ছেলে রবিউল ইসলাম রূপমের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনাস্থল থেকে রোকেয়ার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে রাইসা বেগমকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকে ওই বাসার গৃহকর্মী তানিয়ার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।
রাইসাকে সিলেট কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।
পুলিশ সুপার রেজাউল বলেন, তানিয়া ও তার কয়েকজন সহযোগী এ হত্যার সঙ্গে জড়িত বলে বেঁচে যাওয়া রাইসা পুলিশকে জানায়। এরপর থেকে তানিয়াকে আটক করতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান শুরু করে পুলিশ।
“রোববার বিকালে মামুন নামে এক ব্যক্তিকে বন্দরবাজার থেকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে অভিযান চালিয়ে তানিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।”
মামুন ও তানিয়া স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিতেন বলে এ পুলিশ কর্মকর্তা জানান।
নিহত রোকেয়া নগরীর বারুতখানা এলাকার হেলাল আহমদের স্ত্রী। ছেলে রবিউল ও পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে রাইসা বেগমকে নিয়ে মিতালী আবাসিক এলাকার ১৫/জে নম্বর বাসার নিচতলায় থাকতেন তিনি। ওই বাসাতেই রোকেয়া ও রবিউলের লাশ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় রোকেয়ার ভাই জাকির হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ৪-৫ জনকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।
মামলার পর গত বুধবার শহরতলীর বটেশ্বর এলাকা থেকে নাজমুল হোসেন নাম একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।





