রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প বাতিলের দাবিতে হরতাল-সমর্থকদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে আগামী শনিবার রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করা হবে।
আজ বৃহস্পতিবার প্রেসক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন তেল-গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।
রামপালে বিদ্যুৎ প্রকল্প, সুন্দরবনবিনাশী সব চুক্তি বাতিলসহ ৭ দফা দাবিতে আজ সকাল থেকে রাজধানীতে আধা বেলা হরতালের ডাক দিয়েছিল জাতীয় কমিটি।
হরতাল শেষে প্রেসক্লাবে আনু মুহাম্মদ বলেন, ২৫ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ ‘সুন্দরবনবিনাশী’ সব প্রকল্প বাতিলের দাবিতে রাজপথে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে জাতীয় কমিটি।
এ ছাড়া ১১ মার্চ খুলনা মহানগরীতে ‘উপকূলীয় মানুষদের নিয়ে’ মহাসমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়।
৭ দফা দাবিতে ডাকা আধা বেলা হরতালের সমর্থনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মিছিল-সমাবেশ হয়। শাহবাগে হরতাল-সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ জলকামান ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে।
শাহবাগের ঘটনায় বেশ কয়েকজন হরতাল-সমর্থক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি লাকী আক্তার, ছাত্র ফেডারেশনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি উম্মে হাবিবা বেনজীর রয়েছেন।
হরতালের সমর্থনে রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর, জাতীয় প্রেসক্লাব, পল্টন, দৈনিক বাংলা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রভৃতি এলাকায় বিক্ষোভ, মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। শাহবাগ ছাড়া অন্য কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
পথচারী, সাইকেল-রিকশা-ভ্যান, অ্যাম্বুলেন্স, গণমাধ্যমসহ বিদ্যুৎ-ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান এই হরতালের আওতামুক্ত ছিল।
এমবি





