সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের চরকৈজুরী গ্রামে আরো ৯ জন অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত রোগীকে চিকিৎসকরা শনাক্ত করেছেন। স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ রোববার সকালে আক্রান্তদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আক্রান্তরা হলেন তারা মিয়া (৩০), লালচাঁদ (২০), জলি খাতুন (৪৬), মায়া খাতুন (৪০), ফরিদা খাতুন (৩০), মোজাফফর হোসেন (৩০), হাসি খাতুন (২৭), হামিদা খাতুন (৬০) ও শাহীন (১০)।

এ নিয়ে এ গ্রামে এখন পর্যন্ত ২২ জন অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে।

শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সিভিল সার্জনের কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮ আগস্ট শাহজাদপুর উপজেলার চরকৈজুরী গ্রামের দেলবার হোসেনের ছেলে নজরুল ইসলাম তার খামারের একটি ষাঁড় গরু অসুস্থ হয়ে পড়লে জবাই করে বিক্রি করেন।

এর দুই সপ্তাহ পর থেকে ষাঁড়টির মাংস কাটা ও রান্নার কাজের সঙ্গে জড়িতদের শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি শুরু হয়। গত ১৮ আগস্ট ৯ জনকে অ্যানথ্রাক্স রোগী হিসেবে শনাক্ত করা হয়। এর মধ্যে ৬ জনকে শাহজাদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।

শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাফরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আক্রান্তদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরও গবাদিপশুর শরীরে অ্যানথ্রাক্স ভ্যাকসিন দেওয়ার পাশাপাশি শুরু করেছে জনসচেতনতামূলক নানা কর্মসূচি।

এমএনজে