আধিপত্য বিস্তার নিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজে (খুমেক) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত দফায় দফায় এ সংঘর্ষ চলে। পরে পুলিশ ও ছাত্রলীগ নেতারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

পুলিশ জানায়, খুলনা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি সাইফুল্লাহ মানসুর গ্রুপের কয়েকজন কর্মী সকাল ১০টার দিকে কলেজ ক্যান্টিনে গেলে সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান টিটু-ওবায়দুর রহমান গ্রুপের কর্মীরা তাদের মারপিট করে। প্রথম দফার এ ঘটনায় সাইফুল্লাহ গ্রুপের এনামুল আকাশ, কামরুজ্জামান ও রাজিবিল্লাহসহ পাঁচজন আহত হন।

এ ঘটনার প্রতিবাদে দুপুর ১টার দিকে সাইফুল্লাহ মানসুর গ্রুপের নেতাকর্মীরা টিটু-ওবায়েদ গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে ফাহমিদ, সনৎ কুমার, প্রমোদ মণ্ডল, নাঈম, জয় ও সাফায়েতসহ উভয় গ্রুপের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে ১০ জনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে ২২ ব্যাচের আবিদ ও ২৪ ব্যাচের রাজিবুল্লাহর অবস্থা আশংকাজনক।

সোনাডাঙ্গা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রুমান আহমেদ বলেন, ‘বিষয়টি মীমাংসার জন্য ক্যাম্পাসে গেলে থানা সভাপতি জনি বসুর নেতৃত্বে কিছু উচ্ছৃঙ্খল কর্মী আমাদের ওপর হামলা চালায়।’ তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জনি বসু বলেন, ‘মেডিক্যাল কলেজে মারামারি হচ্ছে শুনে আমি গিয়েছি। তবে আমি নিজে মারামারিতে অংশ নেইনি।’

সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকুমার বিশ্বাস বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের ১৫-২০ জন আহত হয়েছে। তবে পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত।

এসএ