জাতীয় পার্টির (একাংশ) চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমেদকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় চৌদ্দগ্রামের চিওড়ায় কাজী জাফরের চতুর্থ নামাজে জানাজা শেষে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
পরে চিওড়ার নিজ পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।
চতুর্থ জানাজায় ফেনী পৌরসভার মেয়র আলাউদ্দিন ও স্থানীয় নেতাকর্মীরাসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেয়।
এরআগে বেলা পৌনে ১২টায় কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে কাজী জাফরের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় অংশ নেন কুমিল্লা সদর সাংসদ হাজী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার, কাজী জাফর সমর্থিত জাপার মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার , ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার আহমেদ সেলিম , জেলা দক্ষিণ বিএনপির সহ সভাপতি সাবেক এমপি মাহবুব প্রমুখ।
দুপুর সোয়া ১টায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজি এলাকায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় অংশ নেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি মনিরুল হক চৌধুরীসহ বিএনপি ও জাতীয় পার্টির স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
দুপুর সোয়া ২টায় চৌদ্দগ্রাম ঈদগাহ মাঠে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে অংশ নেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি তাহের পলাশী, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য লুৎফুর রহমান হেলালসহ চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীসহ প্রায় ৫ হাজার সাধারণ মানুষ।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল সোয়া ৮ টায় টঙ্গীর মিল গেটের ইজতেমা ময়দান সংলগ্ন মসজিদে তার প্রথম নামাজে জানাজা ও বেলা ১১টা ৫ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দ্বিতীয় জানাজা হয়।
এরপর দুপুর ২টা ১ মিনিটে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের তৃতীয় জানাজা ও বাদ আছর আজাদ মসজিদে চতুর্থ জানাজা হয়।
পরে মরদেহ তার গুলশানের নিজ বাসভবনে রাখা হয়। সেখান থেকে শনিবার সকালে কুমিল্লা নেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল ৭টায় গুলশানের নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হন কাজী জাফর আহমেদ।
এরপর দ্রুত রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।
এমকে





