ঝিনাইদহে এবার সুমাইয়া খাতুন (১৫বছর ৬মাস) নামে ১০ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে অপহরণ করা হয়েছে বলে ঝিনাইদহে সদর থানায় জিডি করেছেন সুমাইয়া খাতুনের পিতা মোঃ মাহাতাব উদ্দিন মন্ডল ( ৫০)।
ঝিনাইদহ সদর থানার জিডি নাম্বার-১০১৬ সুত্রে জানা গেছে, সুমাইয়া খাতুনের পিতা মোঃ মাহাতাব উদ্দিন মন্ডল, সাং-রামচন্দ্রপুর, ডাকঘর- হলিধানী, থানা ও জেলা ঝিনাইদহ সদরের রামচন্দ্রপুর স্কুলের ১০ম শ্রেণীর ছাত্রীকে অপহরন করা হয়েছে।
ঘটনা সুত্র, মোছাঃ সুমাইয়া খাতুন রামচন্দ্রপুর স্কুলে যাওয়ার পথে মুজিবর রহমানের পুত্র মোঃ নাসির সাং-রামচন্দ্রপুর, ডাকঘর-হলিধানী, থানা ও জেলা ঝিনাইদহ, সে সর্বদা সুমাইয়া খাতুনকে কুপ্রস্তাব দিতে থাকে। নাসির সুমাইয়া খাতুনকে বিভিন্ন ভাবে কুপ্রস্তাব দিতে থাকিলে সুমাইয়া তার বাড়িতে পিতা মাতার নিকটে বলিলে, তারা বারংবার বখাটে নাসির,তার ভাই মাসুদ (২৫) ও নাসিরের দুলাভাই মাগুরা নিবাসী মনিরুলের (২৯) সাথে আলাপ করিলে, নাসির, মাসুদ, মনিরুল উল্টা সুমাইয়ার পরিবারকে হুমকি ধামকি ও অপহরনের ভয় দেখায়।
সুমাইয়া খাতুনের পিতা মোঃ মাহাতাব উদ্দিন ও জিডি সুত্রে জানাগেছে, ২৩.০৯.২০১৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৮ ঘটিকার সময় সুমাইয়া ইস্কুলে যাওয়ার পথে রামচন্দ্রপুর আনোয়ার হোসেনের মুদিখানার দোকানের সামনে আসিলে নাসির, মাসুদ, মনিরুল সহ অজ্ঞাত নামা ৪/৫ জন মিলে জোর পুর্বক টেনে হেচড়ে তাহাদের ব্যবহৃত বাইকে উঠায়ে নিয়ে যাওয়ার সময় সুমাইয়া ডাক চিৎকার করিলে সাক্ষি ১। মোঃ আসির উদ্দিন (৪২), পিতা-মৃত ইজ্জত আলী মন্ডল, ২। মোঃ ওহেদ আলী (৪৫), পিতা-মৃত নিয়ামত মন্ডল, সাং- রামচন্দ্রপুর, ৩। ওমর আলী (২৬) পিতা-মৃত মুজিবর রহমান, সাং-গাগান্না সহ আরো অনেকে ঘটনাটি দেখে এবং সুমাইয়া খাতুনের পিতা মোঃ মাহাতাব উদ্দিন মন্ডলকে সংবাদ দেয়।
পরবর্তিতে সুমাইয়া খাতুনের পিতা মোঃ মাহাতাব উদ্দিন মন্ডল সহ তার পরিবারের সকলেই সুমাইয়াকে খুঁজা-খুঁজি করিতে থাকে। বিবাদী নাসির, মাসুদ, মনিরুলের নিকটে মোবাইলে সুমাইয়াকে তুলে নিয়ে যাওয়ার কথা বলিলে তাহারা বিভিন্ন ধরণের গালি গালাজ সহ খুন-জখমের হুমকি দেয়।
সুমাইয়া খাতুন ২০১৭ সালের এস, এস, সি পরীক্ষার্থী হওয়ার কারনে আইনের সহয়তা জরুরী ভাবে প্রয়োজন বলে সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছেন সুমাইয়া খাতুনের পরিবার।
এদিকে, ১নং আসামি মোঃ নাসিরের বোন,৩নং আসামি মোছাঃ মাছুরা বেগম (২৫) স্বামী মোঃ মনিরুল ইসলাম সাং রাওতাড়া, ডাকঘর-রাওতাড়া থানা-জেলা মাগুরা কে গতরাতে ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশ আটক করে। এসংবাদ লেখা পর্যন্ত ১নং আসামি মোঃ নাসির, মাসুদ, মনিরুল ও সুমাইয়া খাতুনের কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি হরেন্দ্রনাথ সরকার ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে বলেন, ইতিমধ্যে এক আসামিকে আটক করা হয়েছে। বাকি আসামিদেরও দ্রæত অটক করা হবে।
পরিশেষে, সুমাইয়া খাতুনের পিতা মোঃ মাহাতাব উদ্দিন মন্ডল বাংলাদেশের সুহৃদয়বান ব্যাক্তিবর্গের নিকটে বিনীত ভাবে সুমাইয়া খাতুনের খোঁজ পেলে ০১৮৬১-৭৪ ৪৭ ৬৫ নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
এসএ





