পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অর্ধ শতাধিক গরু খামারী মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ডেক্সামেথাসন, ডেক্সোভেট, ও বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত সিপ্রোহেপ্টাডিন নামক ট্যাবলেট ও ইনজেকশন প্রয়োগ করে গরু মোটাতাজা করণ পদ্ধতি শুরু করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ঈদের আগে এসব গরু গুলোকে বাজারজাত করা হবে। তবে খামার মালিকরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হিরন্ময় দাস বলেন, খামারীরা কোরবানী ঈদের ২/৩ মাস পুর্বে দুর্বল প্রকৃতির গরু কম দামে বিভিন্ন বাজার থেকে ক্রয় করে অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ওষুধ গরুকে প্রয়োগ করে।

ফলে গরুর লিভার, ফুসফুসসহ চামড়ার নিচে পানি জমে অল্প সময়ে মোটা তাজা হয়ে যায়। এসকল গরুগুলোর মাংস ভক্ষণ করলে মানুষের ও একই ধরনের রোগ হওয়ার সম্ভবনা থাকে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা. ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, এসকল গরুর গোশত খেলে মানুষের লিভার, কিডনি, হার্ট ও ফুসফুসে পানি জমে শারিরীক ওজন বেড়ে যাওয়া ও স্থায়ী ভাবে অসুস্থ্য হওয়ার ঝুকি সহ ডায়াবেটিস রোগ দেখা দিতে পারে।

এসএইচ