কুয়াকাটার উপকূলীয় অঞ্চলের তালতলী উপজেলার ট্যুরিস্ট এলাকা সোনাকাটা ইউপি নির্বাচনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হচ্ছে। দক্ষিঞ্চালের নজর এখন ওই নির্বাচনের দিকে। আগামী ২৩ মে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যাছে এ নির্বাচন। ৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী এ নির্বাচনে অংশ নিলেও একই পরিবারে আপন চাচা-ভাতিজার মধ্যে লড়াই হবে ভোট নিয়ে। একে ঘিরে হামলার পর হামলা নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় চলছে এলাকায়।
বর্তমান চেয়ারম্যান চাচা মো. ইউনুচ ফরাজী সতন্ত্র প্রার্থী, একই পরিবারে আপন বড় ভাইয়ের ছেলে ভাতিজা সুলতান ফরাজী নৌকা প্রতিক নিয়ে মাঠে নেমেছে ভোট যুদ্ধে। ভাতিজা এরই মধ্যে ক্ষমতাসিন দলের ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
দুই বারের চেয়ারম্যান চাচা তিনিও সহজে ভোটের মাঠ ছাড়তে নারাজ যে ভাবেই হউক নির্বাচনে মাঠে থাকতে চান তিনি। প্রার্থী দুজনের বাড়ির মাঝ খানে কোন সীমানা নেই। ভোটারদের পাশাপাশি উৎসুক জনতারাও প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছেন তাদের বাড়ি দেখতে।
ভোটের দামামায় আগামী ২৩ মে নির্বাচনে কে টিকবে সে দিনের অপেক্ষায় আছে কুয়াকাটা উপকূলীয় বাসী।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, কুয়াকাটা উপকূলীয় অঞ্চলের তালতলী উপজেলার ট্যুরিস্ট এলাকা সোনাকাটা ইউপি নির্বাচনে এবার ভোটার সংখ্যা ৮২০৮ জন । এর মধ্যে পুরুষ রয়েছে ৪০৪৩ জন, মহিলা ভোটার রয়েছে ৪১৬৫ জন।এ ইউনিয়নে ৬জন চেয়ারম্যান প্রার্থী এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। এ পর্যন্ত ৪ জন মাঠে টিকে আছে। যার মধ্যে একই পরিবারে চাচা-ভাতিজাকে নিয়ে চলছে মাঠে ঘাটে বাজার মহল্লায় ব্যাপক আলোচনা। বর্তমান চেয়াম্যান ইউনুস ফরাজী এবং তার আপন বড় ভাইয়ের ছেলে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী সুলতান আহম্মেদ ফরাজী তুমুল লড়াইয়ের মধ্যে দিন পার করছে।
বাকি আছে মাত্র ২ দিন। বাঘে মহিষে লড়াই। কেউ কাউকে ছাড় দিচ্ছে না। অভিযোগ রয়েছে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বহিরাগত লোক দিয়ে জিম্মি অবরোদ্ধ করে চাচার মাইকে প্রচার, ব্যানার পোস্টার লাগাতে দিচ্ছেনা ভাতিজা সুলতান ফরাজীর লোকজন। আবার চাচা তার জনপ্রিয়তা বেশি থাকায় ফাঁকে ফাঁকে নির্বাচনীয় মাঠ দখলে নেয়ার চেষ্টা করছে। এ পর্যন্ত কয়েক বার দফায় দফায় হামলা হয়েছে। প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ান্ত্রন রাখতে হিমসিম খাচ্ছে।
গত বুধবার বিকালে লাউপাাড়া নির্বানীয় অফিসে যাওয়ার পথে চাচা ইউনুচ ফরাজী ও তার ছেলে বরগুনা জেলা পরিষদের সদস্য হুমায়ুন কবির সুজনকে হামলা করে ভাতিজার সমার্থীতরা এতে প্রার্থীসহ ২১জন আহত হয়। এখবর শুনে আবার পল্টা হামলা করে চাচার সর্মথকরা এতে ৬ জন আহত হয়। এ দৃশ্য দেখে ভোটের দিন সুষ্ট নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে গোটা উপকূল জুড়ে। বেলায়েত ফরাজীর রক্ত এখন ভোট যুদ্ধে ভাগ হচ্ছে দুই মেরুতে। যা সোনাকাটা বাসীর জন্য অশুভ লক্ষন বলে মতামত দিছেন এলাকার সুশিল সমাজ।
দুই প্রার্থীর সাথে কথা বলে বুঝা যায়, ওই নির্বাচনের দিন কেউ-কাউকে ছাড় দিবে না, সময় পেলেই বিসাক্ত সাপের মত ছোবল দিবে একে-অন্যকে। সুষ্ট নির্বাচন হলে ভোটের নির্বাচনের দিন চাচা-ভাতিজার ভোট যুদ্ধের লড়াইয়ে কে হাসবে শেষ হাসি সে আশায় দিন গুনছে উপকূলবাসী।
নির্বাচনীয় পরিস্থিতি নিয়ে তালতলী উপজেলা নির্বাচন কমিশন মোঃ শহিদুল্লাহ 'টাইমনিউজ'কে বলেন নির্বাচন অবাধ সুষ্ট নেয়ার জন্য আজ থেকেই অতিরিক্ত প্রশাসন চলে আসবে এবং ২২ তাারিখে এক ইউনিয়নের জন্য ২জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টেসহ ৫ জন কর্মকর্তা নির্বাচনে পর্যবেক্ষনে থাকবে। তিনি বলেন, আমরা আশা করি কনো ধরণের দুর্ঘটনা ছাড়াই আমরা সুষ্ট নির্বাচন নিতে পারবো।
হোসাইন/জারিফ





