জেলার নিকলী উপজেলায় মসজিদের পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। শনিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার সাজনপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও বাজিতপুরের ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত মোতালিব মিয়া (৭৫) ও জজ মিয়া (৪৫) ছাড়া অন্যদের নাম জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসীর একাধিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সাজনপুর গ্রামের মসজিদ কমিটির সভাপতি শাফিউদ্দিন মাস্টারের লোকজন মসজিদের পুকুরে মাছ ধরতে যায়। খবর পেয়ে একই গ্রামের আঙ্গুর আলীর লোকজন বাধা দেয়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতি হলে স্থানীয়রা থামিয়ে দেয়।
ইফতারির পর রাত ৮টার দিকে শাফিউদ্দিন গ্রুপের লোকজন লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আঙ্গুর আলীর লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এ সময় দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হয়। আঙ্গুর আলী গ্রুপের গুরুতর আহত মোতালিব মিয়া ও জজমিয়াকে বাজিতপুরের ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় পাল্টাপাল্টি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে উভয়পক্ষ।
আঙ্গুর আলী বলেন, ‘শাফিউদ্দিন জোরপূর্বক মসজিদের অবৈধ কমিটি বানিয়ে সভাপতি হিসেবে দাবি করে আসছেন। কিন্তু এলাকার কেউ মেনে নেয়নি। মসজিদের সম্পত্তি লুট করতে চেয়েছিল, তাতে প্রতিবাদ করলে এলাকাবাসীর ওপর হামলা চালায়।’
এদিকে মসজিদ কমিটির সভাপতি শাফিউদ্দিন বলেন, ‘মসজিদের উন্নয়নের জন্য মাছ বিক্রি করতে গেলে আঙ্গুর আলীর লোকজন তাদের মারধর করে।’
নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মাহবুবুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এলাকার পরিস্থতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।
এএইচ





