টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্তবাসে গার্মেন্টস কর্মী গণধর্ষণের ঘটনায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে বাসের চালক হাবিবুর রহমান নয়নকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ নিয়েছেন আদালত। আদালতে তিনি ধর্ষণের সম্পৃক্ততায় তার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকতা ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) খান মোহাম্মদ হাসান মোস্তফা জানান, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হামিদুল ইসলাম বাসের চালক হাবিবুর রহমান নয়নের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রের্কড করেন। পরে তাকে বিচারক জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে গত শনিবার (০২ এপ্রিল) বাসের হেলপার আব্দুল খালেক ভুট্টো ও সোমবার বাসের সুপারভাইজার রেজাউল করিম জুয়েল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। এ নিয়ে গ্রেফতারকৃত তিন আসামিই গণধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার দায় স্বীকার করে নিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) গাজীপুর থেকে তার খালার বাড়ি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী বেড়াতে যায়। পরে শুক্রবার (০১ এপ্রিল) সকালে গাজীপুরের উদ্দেশে যাওয়ার জন্য ধনবাড়ী বাসস্ট্যান্ড থেকে টিকিট কেটে বিনিময় পরিবহনের ১৯৫৪ সিরিয়ালের একটি বাসে উঠে।
এসময় বাসটির চালক ও চার স্টাফ তাকে একাই নিয়ে রওনা হয়। পরে বাসটি গন্তব্যে না গিয়ে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের দিকে যেতে থাকে। এতে নুর নাহার জিজ্ঞেস করলে বাসের স্টাফরা তাকে মারধর ও সব জানালা-দরজা বন্ধ করে দিয়ে তার হাত-পা ও মুখ বেধে ফেলে। পরে একে একে বাসের চালকসহ তিনজন তাকে গণধর্ষণ করে বাস থেকে নামিয়ে দিয়ে চলে যায়।
ওএফ





