বহু প্রত্যাশিত পদ্মা সেতুর ট্রায়াল পাইল স্থাপনে এ্যাংকর পাইলের কাজ রোববার সকালে শুরু হয়েছে। ভাড়ি যান্ত্রপাতি ব্যবহার করে বিশাল ক্রেনের মাধ্যমে এই এ্যাংকর পাইল স্থাপন করা হচ্ছে। এর মধ্য দিয়েই  মূল সেতু তৈরির প্রাথমিক কাজ শুরু হলো। তাই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ কোম্পানির শুরুর ক্ষণটিকে তাদের রীতি অনুযায়ী দু’টি কালো ষাঁড় গরু, দু’টি খাসি ও দু’টি মোরগ পদ্মা নদীতে উৎসর্গ করে। সেই লক্ষে এগুলো জবাই করে বিশেষ কৌশলে রক্তগুলো সরাসরি পদ্মায় দেয় হয়।

চীনের রীতি অনুয়ায়ী কাজের সফলতা ও দুর্ঘটনা রোধে এই পশু উৎসর্গ করা হয়। ষাঁড়ের সামনের দু’রান অর্থ্যাৎ দুইটি গরুর চারটি রান পদ্মা নদীতে উৎসর্গ করে ছেড়ে দেয়া হয়। বাকি মাংস প্রকল্পে কর্মরতদের মাঝে বিতরণ করা হয়। 

রোববার সকাল ৯টার দিকে এগুলো উৎসর্গ করার মধ্য দিয়ে কাজ শুরু হয়। এ সময়  এ্যাংকর পাইলের কাজের চারিদিকে একেরপর এক আতশবাজি ফুটতে থাকলে। উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট প্রায় সকলেই অংশ নেন। দুই নম্বর পিলারের কাছে নদীতে এই এ্যাংকর পাইল স্থাপন শুরু হয়েছে। এরপরই ২০ মার্চ থেকে ট্রায়াল পাইল স্থাপন করা শুরু হবে। 

মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল জানান, দেশের সবচেয়ে বড় এই প্রকল্পটি যথাযথভাবে এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজন অনুযায়ী সব সহযোগিতায় প্রস্তুত রয়েছে। হরতাল অবরোধে পদ্মা সেতুর কাজে কোন বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারেনি। সব চলছে সিডিউল অনুযায়ী।

জেআই