দিনাজপুরের বিরামপুরে পৌর এলাকার মির্জাপুর শিমুলতলী গ্রামের মিরাজ উদ্দিনের পুত্রআব্দুল হান্নান মিয়ার বাড়ীতে জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে গত ০৬/০৮/২০১৬ ইং তারিখ দিবাগত রাতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলেঅভিযোগ সুত্রে জানা গেছে।
স্বরজমিনে গিয়ে জানা যায় যে, নিম্ন তফসীলভূক্তকে কেন্দ্র করে উক্ত ঘটনাটি ঘটে। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে বাদী হান্নান মিয়া০৭/০৮/২০১৬ ইং তারিখে বিরামপুর থানায় অভিযোগ করলে দায়িত্বপ্রাপ্তকর্মকর্তা এ.এস.আই চাঁন মিঞা ইহা তদন্তাধীন অবস্থায় অব্যাহত রহিয়াছেন।
তার উপরে নির্যাতনের প্রেক্ষিতে তিনি ন্যায় বিচারের সার্থে ডি.সি,এ.ডি.সি, জেলা পুলিশ সুপার, সহকারী পুলিশ সুপার ফুলবাড়ী সার্কেল, র্যাব-১৩ অধিনায়ক, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এন্ড প্রেস সোসাইটি জেলা
কমিটি, জেলা প্রেসক্লাব সভাপতি, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি, জাতীয়সংসদ সদস্য দিনাজপুর-৬, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান,পৌর মেয়র, থানা অফিসার ইনচার্জ, উপজেলা সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগবরাবর অভিযোগ প্রেরন করেন।
এস.এ রেকর্ড মূলে বাদীর দুই চাচা কোবাদউদ্দিন, রিয়াজ উদ্দিন ও পিতা মিরাজ উদ্দিন প্রাপ্ত ২২ শতাংশ জমির মালিক।অভিযোগকারী লিখিত ভাবে জানান যে, এস.এ রেকড মূলে কোবাদ, রিয়াজের ওমিরাজ মৃত্যুর পর কোবাদ উদ্দিনের দুই মেয়ে রোকেয়া এবং পিয়ারা বেগম পিতারনিকট হইতে হেবাবিল এওয়াজ মূলে ৭ শতাংশ জমি ক্রয় করেন।
কিন্তু পুত্র সন্তাননা থাকায় সম্পূর্ণ জমি হেবাবিল এওয়াজ শুদ্ধ নহে। অন্যদিকে মিরাজের পুত্রমান্নান বরাবর ৭ শতকের মধ্যে তারা ৩২১শতক জমি বিক্রি করেন। পর্যায়ক্রমেরোকেয়া ও পিয়ারা বেগম তার আপন চাচা রিয়াজের নিকট হইতে ২৮/০২/১৯৭৬ইং সনে ২২১৯ নং দলিল মূলে ২৪০/২৪১ দাগে ২২ শতকের মধ্যে ৭ শতক জমি ক্রয়করেন। অথচ ২২১৯ নং দলিলটির নকল উত্তোলনে প্রত্যক্ষ করা যায় যে, ২২১৯ নংদলিলটি হাকিমপুর উপজেলার গোহাড়া মৌজার স্থলাভিষিক্ত। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্রকরে হান্নান মিঞা বিরামপুর পৌরসভায় অভিযোগ করলে তৎকালীন চেয়ারম্যানমরহুম হোসেন আলী সরকার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ২২১৯ নং দলিলটিসম্পূর্ণ রুপে জাল বা ভুয়া (যার লিখিত ডকুমেন্ট সংরক্ষিত)।
এ বিষয়ে রোকেয়া ও পিয়ারা বেগমকে জিজ্ঞাসা করলে তাহারা বলেন, অসুস্থতারকারনে টাকার বিশেষ প্রয়োজন মূহুর্তে এ ধরনের কাজটি করেছিলাম। উক্ত দলিলমূলে ৩২১শতক জমি ফরিদা বেগম, স্বামী মোঃ আশরাফ আলী বরাবর বিক্রয় করি। যার
দলিল নং ৫৬১৭, তারিখ ২০/১২/২০০৩ ইং। বিশেষ ভাবে আরো অবগত হওয়া যায় যে,২২১৯ নং দলিলটি সম্পূর্ণ রুপে জাল। এরই উপর ভিত্তি করে পিয়ারা ও রোকেয়াবেগম জমি বিক্রয় করেন। যাহার মূল ভলিয়ম নাই। পরবর্তিতে তারা তাদের ভুলবুঝতে পেরে দলিলটিকে শুদ্ধ করার লক্ষ্যে ৩০/০৬/১৯৭৬ ইং তারিখে ২৪০ দাগে ১৮শতকের মধ্যে ৯ তন্মধ্যে ৭ শতক জমি ক্রয় করেন। যার দলিল নং ১৪৮১৮। এস.এ রেকর্ড
মূলে কোবাদ, রিয়াজ ও মিরাজ তিন জনই সমভাগে মালিক। কিন্তু কোবাদএকাই৭ শতক কি মূলে বিক্রয় করিল তারই প্রেক্ষাপটে হান্নান মিঞা বর্তমানেসুবিচারের লক্ষ্যে আইন বাস্তবায়ন সংস্থা ও জনপ্রতিনিধিদের দারে দারে ঘুরছে।এ বিষয়ে বাদী আরো জানান, “আমি গরিব এক ভ্যান চালক। যেকোন মহুর্তেআমার এবং আমার পরিবারের উপর হামলা আসতে পারে বলে সারাক্ষণ আশঙ্কায়ভুগছি”।
এআই





