প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ বাংলায় দেওয়ার কথা রয়েছে। এতে জলবায়ু পরিবর্তন, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, গণতান্ত্রিক রূপান্তর এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অগ্রাধিকার তুলে ধরা হবে।
পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এর আগে জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, আইনের শাসন ও জবাবদিহি, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয় গুরুত্ব পাবে। যুব ও নারী ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট এবং আধুনিক প্রযুক্তির ন্যায়সংগত ব্যবহারের বিষয়ও বক্তব্যে আসতে পারে।
জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর এবারের জাতিসংঘ সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। বুধবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি বৈশ্বিক উষ্ণতা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখা এবং জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য পূর্বানুমেয় অর্থায়ন নিশ্চিতসহ পাঁচটি জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান জানান।
রোহিঙ্গা সংকটও জাতিসংঘে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে থাকছে। বুধবার সংকটবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অংশীজনদের একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান জানান।
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন গত ৮ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে। এবারের অধিবেশনের সভাপতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। অধিবেশনের সাধারণ বিতর্ক শুরু হয় ২২ সেপ্টেম্বর।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কর্মসূচির পাশাপাশি নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। সফরের শুরু থেকেই তিনি জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন কর্মসূচি ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।
২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী ৮১তম সাধারণ পরিষদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন। ২৫ সেপ্টেম্বর তাঁর নিউইয়র্ক ত্যাগের কথা রয়েছে।
এস





