একটি বিশাল ক্যাম্পাসসহ দিনাজপুরের ৩টি পীস স্কুলে তালা ঝুলছে। সাইনবোর্ড-ব্যানার, লেখা সব তুলে ও মুছে ফেলা হয়েছে। স্কুলগুলোতে কোন শিক্ষার্থীর অস্তিত্ব পাওয়া না গেলেও পীস স্কুলের একটি বিশাল আবাসিক ক্যাম্পাসে কাজ চলছে গ্রীল গেট তৈরী’র।

সেখানে স্কুলের শিক্ষার্থীদের বহনের একটি মিনিবাসও রয়েছে। বাসের লেখাও মুছে ফেলা হয়েছে। শ্রমিকদের সঙ্গে সেখানে অবস্থান করছে বাবর্চি পরিচয়ে স্কুলের এক কর্মচারী। নাম প্রকাশে অনিচ্চুক ওই ব্যক্তি জানালেন, পীস স্কুল বন্ধ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে স্কুলের যাবতীয় সাইনবোর্ড, বিল বোর্ড, লেখা তুলে ও মুছে ফেলা হয়েছে। শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যে যার মতো সরে পড়েছে। বন্ধ রয়েছে পাঠদান।

দিনাজপুর শিশুপার্কের উল্টো পাশে ঈদগাহ আবাসিক এলাকার পীস স্কুলে গিয়ে দেখা গেছে, গেট ও দরজায় তালা ঝুলছে। স্কুলের উপর তলায় অবস্থানরত বাড়ি’র মালিকের স্ত্রী জানালেন মঙ্গলবার সন্ধার পর থেকে স্কুলের সব কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

গত বছরের ডিসেম্বর মাস থেকে সাড়ে ২৫ হাজার টাকায় নীচের তলা ভাড়া নিয়ে চলতো পীস স্কুল এন্ড কলেজের কার্যক্রম। স্কুলের ভিতরে গিয়ে দেখা গেল আরবি, বাংলা এবং ইংরেজিতে লেখা বিভিন্ন সূরা আর উপদেশ বাণী।

উপশহরের ডায়াবেটিস মোড়ে অবস্থিত পীস স্কুল এন্ড কলেজেরও একই দশা। প্রধান ফটকে ঝুলছে তালা। সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড সব তুলে ও ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। বাইরে থেকে পরিলক্ষিত হলো ভেতরের গেট ও দরজায় তালা দেয়া।

এই স্কুলের ক্যাম্পাসের পূর্ব পাশ্বে প্রায় আধা কিলো মিটার দূরে শেখ পুরায় বিশাল আবাসিক ক্যাম্পাস। রাম সাগরের দক্ষিণে বট হাটে রয়েছে আরেকটি পীস স্কুল। সেই স্কুলেরও অবস্থা একই। ঝুলছে তালা। সাইনবোর্ড ও বিল বোর্ডের অস্তিত্ব নেই। কাউকেও পাওয়া গেলনা খুঁজে। দিনাজপুরে যে তিনটি পীস স্কুল রয়েছে তার প্রত্যেকটিই অনুমোদনবিহীন বলে জানা গেছে।

এমবি