ইয়েমেনের সংঘাতপূর্ণ এলাকায় আটকে পড়া বাংলাদেশীদেরকে ফিরিয়ে আনতে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থাকে (আইওএম) আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।
বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক।
সংঘাত তীব্রতর হওয়ার আগে মোট সাড়ে চার হাজারেরও বেশি বাংলাদেশী ইয়েমেনে পাড়ি জমিয়েছিলেন। তারা অধিকাংশই এডেনে আছেন। এখানে ইয়েমেন সরকারের নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকায় অন্য এলাকাগুলোর চেয়ে এটি বেশি নিরাপদ।
তিনি আরো বলেন, "ইয়েমেনে আমাদের কোনো দূতাবাস নেই। আমাদের কুয়েত দূতাবাসকে এর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কিন্তু এটা ইয়েমেন থেকে অনেক দূরে।"
"আমরা আমাদের কর্মকর্তাদেরকে সেখানে পাঠানোর চেষ্টা চালাচ্ছি। কিন্তু সেখানে পাঠানো সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হচ্ছে সমুদ্রপথ। আশা করছি, শীঘ্রই তাদেরকে সেখানে পাঠানো যাবে।"
ইয়েমেনের অস্থিতিশীলতার জন্য বাংলাদেশ সরকার হুতি মিলিশিয়াদেরকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। সেখানে বৈধ সরকারকে পুনরায় ক্ষমতায় বসানোর জন্য সৌদি-আরবের প্রচেষ্টাকে সমর্থন জানিয়েছে।
আক্রমণ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইয়েমেনের রাজধানী সানা ছেড়ে গেছেন বিদেশী কর্মকর্তারা।
পররাষ্ট্র সচিব জানিয়েছেন, তারা সার্বক্ষণিক একটি হেল্পলাইন চালু করেছেন এবং যে কোনো ব্যক্তিগত নাম্বার থেকে যে কোনো কেউ যোগযোগ করতে পারবে।
তিনি বলেন, "আমরা সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত আছি।"
জেডআই





