গ্রামীণ প্রকৃতিতে শরৎ এসেছে সাড়ম্বরে। কিন্তু ইট কাঠের এই নগরে শরৎ কোথায়? শহুরে জীবনে শরৎ ঋতু থেকে যায় অন্তরালেই। ঋতু বৈচিত্র্য ভুলতে বসা নাগরিকদের আবহমান বাংলার শরতের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা অনুষদের বকুলতলায়,অনুষ্ঠিত হল শরৎ উৎসব। ছায়ানটের আয়োজনে সঙ্গীত, নৃত্য আর আবৃত্তিতে শিল্পীরা অঞ্জলি দিলেন কাশ-ফুল, সাদা মেঘ, রংধনু আর স্নিগ্ধতার ঋতু- শরৎকে।
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যের মধ্য দিয়েই শরতের নিসর্গ সবচেয়ে বেশি মূর্ত হয়ে উঠেছে বাঙালির কাছে। তাইতো কবিগুরুর কবিতা ও গানের নৈবেদ্য দিয়ে শুরু হলো শরৎ উদযাপন। শারদ-প্রকৃতির আবহ আনতে সাদা কাশফুলে সাজানো হয় উৎসবস্থল।
চারুকলার বকুলতলায় মিষ্টি শারদীয়-রোদ মাখা সকালে ছায়ানটের আয়োজনে উপস্থিত হন নানা বয়সের মানুষ। শরৎ এসেছে বেশ আগেই। কিন্তু শহুরে পরিবেশে তার প্রভাব নেই বললেই চলে। জলবায়ুর পরিবর্তনে হুমকির মুখে থাকা প্রকৃতিকে রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান অনেকে।
নতুন প্রজন্মের সঙ্গে ঋতু বৈচিত্রের নিবিড় পরিচয় ঘটানোর তাগিদ থেকেই এ উদ্যোগ বলে জানালেন আয়োজকরা।
বাংলার ঐতিহ্য মুড়ি-মুড়কি বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হয় নাগরিক এই শরৎ উৎসব।
ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





