ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ থানা পুলিশ এক নিরীহ বেকারী শ্রমিক কে কোন অপরাধ ছাড়াই ধরে থানায় এনে আটকে রেখে আবশেষে টাকায় ছাড়া পেল।

শনিবার রাত ১০ টারদিকে কালীগঞ্জ থানার এএসআই আব্দুল গাফ্ফার শহরের মাষ্টার পাড়া এলাকা থেকে ফেরদাউস হোসেন কে ধরে আসে। রাতে বিভিন্ন মামলার ভয় ভিতি দেখানো হয়। অবশেষে সে ১০ হাজার টাকা রক্ষা পায়।

কালীগঞ্জ উপজেলার কুল্লাপাড়া গ্রামের মুনসুর আলীর ছেলে আল-মক্কা বেকারিতে শ্রমিকের কাজ করে। সারাদিন কাজ শেষে রাতে বাড়ি ফিরে সে বাড়তি আয়ের জন্য কালীগঞ্জ মাষ্টার পাড়ার বাড়িতে ডালডা ও চিনি দিয়ে পাউরিুটিতে দেওয়া একজাতীয় ক্রিম তৈরি করে বেকারিতে বিক্রি করে।

রোববার রাত ১০ টার দিকে এএসআই আব্দুল গাফফার, মাস্টার পাড়ায় গিয়ে ফেরদাউস কে ধরে থানায় নিয়ে আসে। টাকার জন্য দেখানো নানাবিধ ভয়ভীতি।

এক পর্যায় অসহায় শ্রমিক ফেরদাউসের সঙ্গীরা থানায় গেলে, এএসআই গাফফার প্রথমে ২০ হাজার টাকা দাবি করে। পরে রাত ২ টার দিকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে এ এসআই গাফফারের সাথে আলাপ করলে তিনি আটকের বিষয়ে স্বীকার করলেও টাকার বিষয়ে বলেন, ওসি সার জানেন।

সাংবাদিকরা ঘটনা জানার পর শ্রমিক মুনসুর আলীকে গতকাল বিকাল সাড়ে ৫ টার সময় থানায় তলব করা হয়। এসব ঘটনাটি পুলিশের উপরি মহল তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন।

এমআইএস