তালপট্টি নামে কোনো দ্বীপ ছিল না বলে দাবি করলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, তালপট্টি দ্বীপের কোনো অস্তিত্ব নেই। এটা ছিল একটি নিম্ন প্লাবিত অঞ্চল।
বুধবার দুপুর ২টায় সড়কপথে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় একটি সম্মেলনে যোগদানের আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া বিজিবির কোম্পানি সদর দফতরে যাত্রা বিরতিকালে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালের তথ্য-উপাত্ত এবং ১৯২৫ সালের নটিফিকিশনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি মামলার রায় দেয়া হয়েছে।
দীপু মনি আরও বলেন, সমুদ্রসীমা নিয়ে যে রায় হয়েছে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে আদালতের রায়। এ রায়ে বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশেরই বিজয় হয়েছে। এর মাধ্যমে দুই দেশর দীর্ঘদিনের বিরাজমান অমীমাংসিত ইস্যুর নিষ্পত্তি হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনার অদূরে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ জেগে ওঠে। নদীর মোহনা থেকে দুই কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান। ১৯৭৪ সালে একটি আমেরিকান স্যাটেলাইটে আড়াই হাজার বর্গমিটার এ দ্বীপটির অস্তিত্ব ধরা পড়ে।
পরে রিমোট সেন্সিং সার্ভে চালিয়ে দেখা গিয়েছিল, দ্বীপটির আয়তন ক্রমেই বাড়ছে এবং একপর্যায়ে এর আয়তন ১০ হাজার বর্গমিটারে দাঁড়ায়।তবে অনেকে দাবি করেন, ১৯৫৪ সালে প্রথম দ্বীপটির অস্তিত্ব ধরা পড়ে।
দ্বীপটির মালিকানা বাংলাদেশ দাবি করলেও ভারত ১৯৮১ সালে সেখানে সামরিক বাহিনী পাঠিয়ে তাদের পতাকা ওড়ায়। ভারতের যুক্তি, ১৯৮১ সালের আন্তর্জাতিক জরিপ অনুযায়ী দক্ষিণ তালপট্টির পূর্ব অংশটির অবস্থান ভারতের দিকে।
ঢাকা, ৯ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ





