চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার বাজারস্থ শ্রী-শ্রী রাজা লক্ষ্মী নারায়ণ জিউর আখড়ায় প্রকাশ্যে জনসম্মুখে শতাধিক ভক্তের সামনে লাথি মেরে গৌর নিতাই যুগল নামের মূর্তি ভেঙ্গে ফেলেছে ইসমাঈল হোসেন (৩০) নামে এক যুবক।
আটককৃত যুবকের বাড়ি কচুয়া উপজেলার তেতৈয়া গ্রামের হাজী বাড়ি। সে আবদুল করিম বেপারীর ছেলে।
গত শুক্রবার রাতে এই ঘটনা ঘটে।
তৎক্ষণিক ভক্তবৃন্দ ইসমাঈলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় ঐ মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আজ শনিবার পুলিশ ওই যুবককে আদালতে পাঠায়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ভক্তরা জানান, মন্দিরে ভগবত গীতা পাঠের সময় হঠাৎ করে ঐ যুবক মন্দিরে ঢুকার চেষ্টা করে। এ সময় ভক্তবৃন্দ ওই যুবককে বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করে।
মুহুর্তেই ওই যুবক মন্দিরে থাকা শতাধিক বছরের পুরনো গৌর নিতাই যুগল নামের মূর্তি লাথি মেরে ভেঙ্গে ফেলে। তৎক্ষণিক সকল ভক্তবৃন্দ যুবককে আটকে পুলিশে খবর দেয়।
মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক দীলিপ কুমার জানান, আমরা কিছু বুঝে উঠার আগেই যুবকটি লাথি মেরে দুটি মূর্তি ভেঙ্গে ফেলে। আমরা বাঁধা দিতে গেলে সে আমাদের বাঁধা মানেনি।
থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মনিরুল বলেন, মন্দিরে প্রবেশ করে ২টি প্রতিমা ভেঙ্গে ফেলায় মন্দিরের লোকজন ইসমাইলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। আজ তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে আটক ইসমাইল হোসেনের ভাই হাফেজ মাওলানা মাসুদুর রহমান দাবি করে বলেন, তার ভাই মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি। বিশেষ করে শীত আসলে সে বেশী অসুস্থ হয়ে পড়ে।
আরেক প্রশ্নে মাসুদুর রহমান বলেন গত তিনদিন ধরে সে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় আর তাকে চিকিৎসার একাধিক ব্যবস্থাপত্র আমাদের কাছে রয়েছে।
হাজীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহ আলম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বলেন মানসিক বিষয়টি আদালত দেখবে। আমরা মামলাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি।
এসএইচ





