খুলনায় দুর্বৃত্তদের ছোড়া এসিডে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী কানিজ ফাতেমা সাথী (২২) ও তার ভাই শাওন মাহমুদ (১৯) দগ্ধ হয়েছেন।
খুলনা পিএমজি কলোনির সামনে নিজ বাসায় ফেরার পথে সোমবার রাত ৮টার দিকে মোটরসাইকেল থেকে দুর্বৃত্তরা তাদের এসিড ছুড়ে মারে। এসিডে মেয়েটির পিঠ, বুক এবং মুখের কিছু অংশ ঝলসে গেছে।
আহত দু’জনকেই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত ছাত্রীর ভাবি নুশরাত জাহান সোনিয়া জানান, রাত ৮টার দিকে দুই ভাই-বোন কোচিং থেকে বাসায় ফিরছিল। এ সময় একটি মোটরসাইকেল থেকে তাদের গায়ে এসিড ছুড়ে মারা হয়। মেয়েটির পিঠ, বুক এবং মুখের কিছু অংশ ঝলছে গেছে।
আহত শাওন মাহমুদ জানান, দুর্বৃত্তরা হেলমেট পরা থাকায় তাদের চিনতে পারেনি এবং সেই মোটরসাইকেলের নম্বর ছিল না।
তিনি আরও জানান, তার বড় বোন আসন্ন বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কোচিং করছিল।
ঘটনার পর পরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
খুলনার সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. মাহবুবুর রহমান জানান, তারা ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলেছেন। ডাক্তারা জানিয়েছে মেয়েটির শরীরের ২২-২৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘অপরাধী যেই হোক তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।’
আহত কানিজ ফাতেমা সাথীর ঘনিষ্ট এক আত্মীয় নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মেয়েটির সঙ্গে বন্ধুত্ব করা খুলনার প্রভাবশালী এক ঠিকাদার তাকে থাইল্যান্ড বেড়াতে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু মেয়েটি রাজি না হওয়াই সে এসিড মারার হুমকি দেয়।
এএইচ





