সাত বছরের দু:সহ অপেক্ষার পর শিউলী আর জামিলের কোলজুড়ে এল আয়ান। কিন্তু ডাক্তার যখন জানালেন‌ ‘ইন্টেলেকচুয়াল ডিজঅ্যবিলিটি’ নামে এক সমস্যায় আক্রান্ত আয়ান, তাদের পৃথিবী কেঁপে উঠেছিল। তারপর প্রতিটি দিন এসেছে নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে।ধীরে ধীরে বদলে গেছে শিউলী আর জামিলের চেনা জগৎ, বদলে যেতে শুরু করেছে তারাও।......... এক দেব শিশু আর তার বাবা-মার গল্প নীল অর্কিড।

ড. মোস্তাক শরীফের নীল অর্কিড বিশেষ শিশুদের প্রতি আমাদের সমাজের দৃষ্টিভংঙ্গি এবং সেই সন্তানটির বাবা-মার প্রতিদিনের কঠিন বাস্তবতা নিয়ে রচিত নীল অর্কিড।

কাজী মোস্তাক গাউসুল হক ১৯৭৪ সালে ফেনীতে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন।লেখক ফেনী শহরের জি.এ একাডেমী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও ফেনী সরকারী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে ১৯৯২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। ড. মোস্তাক শরীফ ১৯৯৫ সালে স্নাতক সম্মান এবং ১৯৯৬ সালে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি উভয় পরীক্ষাতেই প্রধম শ্রেণীতে প্রধম স্থান অধিকার করেন।

ড. মোস্তাক শরীফ ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগে খন্ডকালীন এবং ২০০৩ সালে পূর্ণকালীণ শিক্ষক হিসাবে যোগদেন।অধ্যাপনার পাসাপাসি লেখক দীর্ঘ এক দশক ধরে দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি প্রযুক্তি ম্যাগাজিন সম্পাদনা করে আসছেন।লেখকের লিখা লিখি শুরু হয় ছোট বেলাথেকেই। নবীন লেখকদের প্রথম উপন্যাস রচনায় অ্যাডর্নের আহব্বানে কথা সাহিত্যের ভুবনে পা রাখেন লেখক।ব্যাক্তিগত জীবনে স্ত্রী পলি ও দুই সন্তান আরাফ ও মাইসারাকে নিয়ে লেখকের পৃথিবী।

ড. মোস্তাক শরীফের প্রধম উপন্যাস ‘সেদিন অনন্ত মধ্য রাতে’। মোট প্রকাশিত গ্রন্থ ১২টি। যার মাঝে রয়েছে উপন্যাস, গবেষণা গ্রন্থ, অনুবাদ,তথ্য প্রযুক্তির বই ও শিশুদের জন্য গল্প-গ্রন্থ।লেখকের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমুহ হচ্ছে অয়নান্ত সূর্যের দিন, দ্যা বেল জার, এক চোখা দৈত্য, যাও উত্তরের হাওয়া, মেঘ ভেসে গেল।

 

জোহরা বেগমের প্রচ্ছদে নীল অর্কিড অমর একুশের বইমেলায় অ্যার্ডন পাবলিকেশনের ২৬৬-২৬৯ নং স্টলে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়াও অনলাইনের মাধ্যমেও সংগ্রহ করা যাবে লেখকের সকল বই।

নাজিব