প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার বিকল্প নেই। তাই বহুমুখী পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার। এবং জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যেমন জিরো টরারেন্স নীতি আমরা পালন করছি, দুর্নীতির কারণে যাতে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে হবে।

আজ শনিবার (১৩ জুলাই) সকালে নিজ কার্যালয়ে নতুন অর্থবছরের জন্য বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সই অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের সর্বত্র প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা যেকোনো ধরনের সংকটের মুখোমুখি হতে পারি। কিন্তু আমাদের অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে যাতে বন্যার কারণে মানুষের ক্ষতি না হয়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের আর্থিক স্বচ্ছলতা বাড়ার সাথে সাথে সকলেরই একটা প্রবণতা হয়ে গেছে, যার যেখানে জমি আছে, সেখানেই একটা দালান কোঠা তুলে ফেলছে। অনেক সময় 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক ও নাগরিক সুবিধা গ্রামে প্রতিষ্ঠা করতে প্রান্তিক জনপদের ভূমির সঠিক ব্যবহারও কর্মপরিকল্পনায় প্রণয়ন করা জরুরি।

সরকারি কাজে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বাড়িয়ে সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে ২০১৪-১৫ অর্থবছর থেকে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি করে আসছে সরকার৷

এই প্রক্রিয়ায় পুরো অর্থবছরে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো কী কাজ করবে তা নির্ধারণের পাশাপাশি, মূল্যায়ন হয় আমলাতন্ত্রের কর্মতৎপরতার বিভিন্ন দিকের।

তিনি জানান, সেই ধারাবাহিকতায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারের ৫১টি মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই চুক্তি হলো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে যারা ক্ষমতায় আসে এর থেকে কোন উন্নতি করতে পারেনি। যতোটুকু করতো তার চেয়ে বেশি দেখানো হত।

আজ দেশে ২২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, যার সম্পূর্ণ করেছে আওয়ামী লীগ।

মন্ত্রণালয়গুলো নিয়ে নতুন পরিকল্পনা প্রণয়নের তাগিদ দিয়ে সরকার প্রধান বলেন, প্রান্তিক জনপদের ভূমির সুষ্ঠু ব্যবহারে মহাপরিকল্পনা করতে হবে।

 

এএস