ধামরাই উপজেলার দু’টি বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসময় ডাকাতদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ওই বাড়ির ও এলাকাবাসীসহ আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন।

মঙ্গলবার ভোররাতে ধামরাইর যাদবপুর ইউনিয়নের চুন্না গ্রাম ও কাছৈর গ্রামের দু’টি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী জানান, মঙ্গলবার ভোর রাত ৪ টার দিকে ধামরাইর চুন্না গ্রামের কালিয়াকৈর এলাকার কান্দাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনিল চন্দ্র সরকারের দোতলা বাড়ির কলাপসিবল গেটের তালা ভেঙ্গে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে ১০/১২ সদস্যের একটি সশস্র ডাকাত দল।

এসময় ডাকাত দল ঘরে প্রবেশ করে শিক্ষক অনিল চন্দ্র সরকার, তার স্ত্রী মিতা সরকার ও ভাই জীবন চন্দ্র সরকারকে কিছু বুঝে ওঠার আগে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতারী ভাবে কুপিয়ে আহত করে।

এরপর আলমারী ভেঙ্গে নগদ পাঁচ লক্ষ টাকা ও ১০ভরি স্বর্ণলঙ্কার সহ প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এসময় তাদের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে ডাকাতরা হিম্মত মোল্লা, গরী মোল্লা ও শিশিরসহ ৭ জনকে কুপিয়ে আহত করে।

এলাকায় কয়েক রাউন্ড ফাকা গুলি ছুড়ে এলাকাবাসীর মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করে পালিয়ে যায় ডাকাত দল।

পরে প্রতিবেশীরা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিবির পরিচর্যা কেন্দ্র(আইসিইউতে) ভর্তি করে ।

সেখানে চলছে তাদের চিকিৎসা সেবা। মাথায় বেশি আঘাত পাওয়ায় ও রক্ত ক্ষরণের কারনে শিক্ষক অনিল চন্দ্র সরকার ও তার ভাই জীবন চন্দ্র সরকারের অবস্থা আশঙ্কা জনক বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা।

দু‘টি বাড়িতে ডাকাতি হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)ফিরোজ তালুকদার।

অন্য দিকে একই সময়ে ধামরাইর কাছৈর গ্রামের স্থানীয় ব্যবসায়ী শুকুরের বাড়িতে একদল ডাকাত হানা দেয়।

এসময় ডাকাতরা বাড়িতে থাকা নগদ এক লক্ষ টাকা ও স্বর্ণলঙ্কার লুট পাট করে পালিয়ে যায়।

দু’টি ডাকাতির ঘটনার খবর পেয়ে ধামরাই থানা পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছে। এঘটনায় ধামরাই থানায় দু’ট মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এসএইচ/এমকে