চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র শীর্ষেন্দু বিশ্বাসের এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন পায়রা নদীতে সেতু নির্মাণের। এর পরই দ্রুত সেতুটি নির্মাণে উদ্যোগী হয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।
প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণের অংশ হিসেবে বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত চূড়ান্ত করেছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)। সম্প্রতি তা পাঠানো হয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে।
জানা গেছে, পটুয়াখালী সদর ও মির্জাগঞ্জ উপজেলার মধ্যে বিনাপানি-কচুয়া-বেতাগী-মির্জাগঞ্জ-পটুয়াখালী সড়কের পায়রা নদীর ওপর সেতুটি নির্মাণ করা হবে। প্রস্তাবিত মূল সেতুর দৈর্ঘ্য হবে ১ হাজার ৩৭৫ মিটার।
এর ভায়াডাক্ট থাকবে উভয় প্রান্তে ৩৪১ দশমিক ৪৪ মিটার। বর্তমানে ওই সড়কের ২০তম কিলোমিটারের স্থানে ফেরি চলাচল করে। সেখানেই সেতুটি নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সড়ক বিভাগ। সওজের প্রধান প্রকৌশলী ইবনে আলম হাসান স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত চিঠি সম্প্রতি পাঠানো হয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবের কাছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সেতুটি নির্মিত হলে নদীর পূর্ব অংশে পটুয়াখালী জেলা শহর, কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত, পায়রাবন্দর; পশ্চিমে মির্জাগঞ্জ উপজেলা, বরগুনা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর ও মংলা সমুদ্রবন্দর এবং খুলনা শহরের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে।
জানা গেছে, সওজের পটুয়াখালী জেলা সার্কেল অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরেজমিন পরিদর্শন করে পায়রা নদীতে সেতু নির্মাণের ওপর প্রতিবেদন তৈরি করেন। এর পর তা সওজ থেকে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য এরই মধ্যে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এমএনজে





