ধর্ষণ মামলার আসামি সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে সিলেটথেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ধর্ষণের আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সদর দপ্তরের সমন্বয়ে একাধিক টিম তৈরি করা হয়। এরমধ্যে সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), জেলা পুলিশ এবং ঢাকা থেকে আসা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের টিম সহ একাধিক দল অভিযানে অংশ নেয়। তাদের গ্রেপ্তার করা হয় নগরীর পাঠানটুলার রশিদ ভিলা থেকে।
পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে ঢাকার গোয়েন্দা দল সাফাত ও তার সহযোগীদের সম্পর্কে তথ্য দেয়। এর ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশ ও সিলেট জেলা মহানগর পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়। পুলিশ জানায়, রশীদ ভিলার মালিক একজন প্রবাসী বাংলাদেশি। বাড়িটিতে কেউ থাকে না। এটি দেখভাল করে একজন কেয়ারটেকার। অভিযান চলাকালে তাকে পাওয়া গেলেও আটক করা হয়নি। তদন্তের স্বার্থে বাড়ির মালিকের নামও প্রকাশ করা হয়নি।
পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, রশীদ ভিলা হলো সাফাতের চাচার বাড়ি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান জেবান আল মুসা। ধর্ষণ মামলার অন্য আসামিরা সিলেটেই আছে কিনা, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, এ ব্যাপারে পুলিশ সজাগ আছে।
এদিকে নাঈম আশরাফসহ ধর্ষণ মামলার অন্য আসামিরা যেন সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে চলে যেতে না পারে সেজন্য সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’হোটেলে জন্মদিনের পার্টিতে আমন্ত্রণ করে ওই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৬ মে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। বনানী থানায় দায়ের করা এ মামলায় পাঁচজনকে আসামি করা হয়। আসামিরা হলেন- সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ, বিল্লাল হোসেন, সাদমান সাকিফ ও আজাদ। মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামি সাফাত ও নাঈম ওই দুই তরুণীর বন্ধু। জন্মদিনের পার্টিতে দাওয়াত দিয়ে হোটেলে নেওয়ার পর সাফাত ও নাঈম হোটেলের একটি কক্ষে নিয়ে রাতভর দুই তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। অপর তিন আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহায়তা ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ আনা হয় মামলায়।
এমই





