বগুড়ায় ভোরে কুয়াশা জমে থাকছে ঘাসে আর লতা পাতায়। রাতে কিছুটা শীত অনুভূত হচ্ছে। রাতে মহাসড়কে কুয়শার কুণ্ডলী দেখা যায়। শীতের শুরু না হলেও জলবায়ু পরিবর্তনে অনুভূত হচ্ছে শীতের আমেজ। অগ্রহায়ণ, পৌষ ও মাঘ এই তিন মাস শীত মৌসুম হিসেবে বিবেচিত হয়। আর শীত মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবে হিঁড়িক পড়েছে লেপ-তোষক বানানোর।

নন্দীগ্রাম উপজেলার কারিগররা এখন ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন লেপ-তোষক বানানোর কাজে। ক্রেতাদের আনাগোনায় জমজমাট হয়ে উঠেছে লেপ-তোষক এর দোকানগুলো।

কারিগর আবু সাঈদ জানান, ক্রেতারা শীতের কথা মনে রেখে আগাম লেপ-তোষক বানাতে দিচ্ছেন। অর্ডার পেয়ে কারিগররাও ক্রমশ ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন।

কারিগররা আরো জানান, একটি লেপ তৈরিতে একজন কারিগরের সময় লাগে এক ঘণ্টা। এভাবে একজন কারিগর দিনে গড়ে ৫/৬টি লেপ তৈরি করতে পারেন। অনুরুপভাবে দিনে ৫/৬টি তোষক তৈরিতেও একই সময় ব্যয় হয়।

এদিকে প্রতিটি দোকানের মালিকদের অধীনে কারিগররা শীত মৌসুমসহ সারা বছর জুড়েই লেপ-তোষক, গদি তৈরিতে নিয়োজিত থাকে।

তুলা ব্যবসায়ী মুক্তার হোসেন জানান, শীত মৌসুমের পুরো তিন মাস কারিগররা যে হারে লেপ-তোষক, গদি তৈরিতে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করে বছরের অন্য সময় তা হয় না। বছরের প্রায় ৮মাস তাদের অনেকটা অলস সময় কাটাতে হয়। কেউ কেউ ভিন্ন পেশায় নিয়োজিত হয়। বর্তমানে শীতের অর্ডারি লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত। কারিগররা দিনে প্রায় ৪৫০-৬০০ টাকা উপার্জন করছে।

তুলা ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান ও রাজু আহম্মেদ বলেন, তুলার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় লেপ-তোষক, গদি তৈরিতে খরচ বেড়েছে। তা ছাড়া বর্তমানে কেনা-বেচা ভালই হচ্ছে। আগামীতে আরো ভালো হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জেআই