টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ধেরুয়া থেকে জামুর্কী পর্যন্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ১৫ কিলোমিটার যানজটে স্থবির হয়ে আছে।
আজ শুক্রবার দুপুরের পর থেকে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় এই অবস্থা বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও যানজটে আটকে থাকা যানবাহনের কয়েকজন চালক জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার ছিল ঈদের ছুটির আগে শেষ কর্মদিবস। তাই অফিস এবং বিশেষ করে পোশাক কারখানা ছুটির পর যাত্রীদের ঢল নামে। আজ সকাল থেকে তা আরও বাড়তে থাকে।
সকালে গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে কালিয়াকৈর পর্যন্ত যানবাহনের প্রচুর চাপ থাকলেও মির্জাপুরের গোড়াই ক্যাডেট কলেজ এলাকা থেকে জামুর্কী পর্যন্ত প্রায় ১৯ কিলোমিটার এলাকায় যানবাহন নির্বিঘ্নে চলাচল করেছে। তবে দুপুরের পর থেকে যানবাহনের চাপ আরও বেড়ে যায়।
আজ শুক্রবার বেলা ৩ টায় মির্জাপুর বাইপাসে গিয়ে উত্তরাঞ্চলগামী যানবাহনকে স্থবির অবস্থায় দেখা গেছে। অনেক চালক ক্লান্ত হয়ে নিজের আসনে ঘুমিয়ে পড়েছেন। অনেক যাত্রীও নিচে নেমে হাঁটাহাঁটি করছেন। তবে নারী ও শিশুদের বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এদিকে ঢাকামুখী যানবাহনের সংখ্যা ছিল খুবই কম।
পাবনাগামী ট্রাক চালক লোকমান হোসেন জানান, চন্দ্রা থেকে মির্জাপুর পর্যন্ত মাত্র ৩০ মিনিটের রাস্তা ৩ ঘণ্টায় পৌঁছান। কিন্তু মির্জাপুরে এসে এক জায়গায় প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে বসে আছেন।
গাজীপুরের কোনাবাড়ী বিসিক এলাকায় একটি কারখানার জ্যাকেট সুপারভাইজার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, যানজটের কারণে তিনি সকাল ৭ টায় কোনাবাড়ী থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত হেঁটে আসেন। সেখান থেকে একটি ট্রাকে ওঠেন। ট্রাকটি প্রায় ৩ ঘণ্টায় মির্জাপুর পৌঁছায়। এরপর এই স্থানে (কোনাবাড়ী বিসিক এলাকায়) প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে বসে আছেন।
মির্জাপুরের গোড়াই হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এস আই) মোতালেব হোসেন জানান, রাস্তায় হঠাৎ প্রচুর যানবাহন দেখা যাচ্ছে। এতে ধীর গতিতে যান চলছে। পুলিশ যানজট এড়াতে কাজ করে যাচ্ছে।
এমবি





