সমুদ্রপথে পাচার হওয়া ৬১ জন বাংলাদেশি অভিবাসী মালয়েশিয়া থেকে দেশে এসে পৌঁছেছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার পর বিজি ১৮৭ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তারা।
বিমানবন্দর সূত্র বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
ইন্টারন্যাশনাল অরগানাইজেশন অব মাইগ্রেশন (আইওএম) এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদেরকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানা গেছে।
মালয়েশিয়ায় উদ্ধার ৭১৬ জন বাংলাদেশি অভিবাসীর মধ্যে প্রথম দফায় দেশে ফিরলেন এই ৬১ জন।
সাগরপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার সময় গত ১১ মে লংকাবি দ্বীপের উপকূল থেকে উদ্ধার করা হয় তাদের। কুয়ালালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন তাদের শনাক্ত করে নামের তালিকা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে যাচাই-বাছাই করে তাদের যাবতীয় কাগজপত্র মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাঠানো হয়। উদ্ধার এসব অভিবাসীদের দেশে ফিরে আসতে যাবতীয় কার্যক্রম ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের হাইকমিশনার শহীদুল ইসলাম।
মালয়েশিয়া বিমানবন্দরে এই অভিবাসীদের বিদায় জানান বাংলাদেশের হাইকমিশনার শহীদুল ইসলাম ও লেবার উইং শাহিদা সুলতানা।
এ সময় বাংলাদেশের হাইকমিশনার শহীদুল ইসলাম বলেন, আমরা ৭১৬ জনের দেশে যাওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। আশা করছি, রমজানের মধ্যেই সবাই নিরাপদে দেশে ফিরে যেতে পারবেন।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতারও প্রশংসা করেন হাইকমিশনার।
বাংলাদেশি এসব অভিবাসীদের বিষয়ে নিয়মিত খোঁজ-খবর নিয়েছেন হাইকমিশনার। দফায় দফায় মতবিনিময় করেন মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। গত ২ জুন তিনি বাংলাদেশি অভিবাসীদের কাছে গিয়ে খোঁজ-খবর নেন। ২০ মে মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুকশ্রী অনিফা আমান মিতের সঙ্গে মানবপাচার রোধ নিয়ে বৈঠকও করেন তিনি।
এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় থাইল্যান্ড থেকে ৪৭ জন বাংলাদেশি অভিবাসীকে ফিরিয়ে আনা হয়।
এএইচ





