জেলা শহরের রেলবাজারে ব্যবসায়ীদের প্রতিরোধের মুখে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তরিকুল ইসলাম ও সাব্বির রহমান সানি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে গিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে এ প্রতিরোধের মুখে পড়েন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে দু’জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা বিপণন কর্মকর্তা, পুলিশ ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে নিয়ে রমজান মাসে বাজার তদারকিতে যান। বড় বাজার ও নিচের কাঁচাবাজার তদারকি শেষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অন্যরা রেলবাজারে যান। সেখানে যাওয়ার পর বিভিন্ন দোকানে রমজানে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দর ও ডিলিংস লাইসেন্স যাচাই শুরু করেন। এক পর্যায়ে তারা আব্দুল জলিল নামে এক ব্যবসায়ীর মুদি দোকানে গেলে ওই ব্যবসায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই ব্যবসায়ীকে ৩০০ টাকা জরিমানা করেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বাজারের অন্য ব্যবসায়ীরা সংগঠিত হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। অবস্থা বেগতিক বুঝতে পেরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম স্থগিত করে ম্যাজিস্ট্রেটরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ফিরে যান।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির রহমান সানি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জেলা দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইবরুল হাসান জোয়ার্দার জানান, ঝালের ও হলুদের গুড়া ব্যবসায়ীদের বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স দেখার কথা স্যানেটারি ইন্সপেক্টরের। জেলা মার্কেটিং অফিসার এটা তদারকি করায় ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

এ নেতা দাবি করে জানান, আগামীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত চালানোর সময় সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিষেজ্ঞদের থাকতে হবে।

জেআই