করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে নারায়ণগঞ্জ জেলার ১৯টি এলাকাকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বা ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
এ সব এলাকায় পরবর্তী করণীয় জানতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের কাছে লিখিতভাবে প্রেরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা.ইমতিয়াজ আহমেদ।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, যেসব এলাকাকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে সেগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, এনায়েতনগর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, সোনারগাঁও উপজেলার আমিনপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড, আড়াইহাজার উপজেলার আড়াইহাজার ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, হাইজাদীর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, ব্রাম্মন্দি ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, রূপগঞ্জের তারাব পৌরসভার ২নং ও ৩নং ওয়ার্ড, কাঞ্চ ২ন পৌরসভার নং ওয়ার্ড ও ভুলতা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড।
এছাড়াও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১, ২, ৮, ১২, ১৩, ১৮ ও ২৪ নং ওয়ার্ডকে রোড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জেলা করোনা বিষয়ক কমিটির ফোকাল পারসন ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম জানান, জেলার ১৯টি এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করে তা স্বাস্থ্য অধিদফতরে পাঠানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর এ ব্যাপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। তিনি আরও জানান, মূলত কোনো ওয়ার্ডকেই সম্পূর্ণ ভাবে রেডজোন করা হয়নি।
আমরা বিভিন্ন ওয়ার্ডের যে সব এলাকায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি সেগুলোকে চিহ্নিত করেছি। স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পরবর্তী নির্দেশনা আসলেই সেগুলোকে লকডাউন করা হবে।
এমআর





