পুলিশ আদালতে যা বলতে বলেছেন তাই বলিছি বললেন বরগুনায় আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের অন্যতম প্রধান সাক্ষী পরবর্তীতে আসামি স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। না বললে আরও ১০ দিনের রিমান্ডে নেয়া হবে বলে হুমকি দেন পুলিশ কর্মকর্তারা।
শনিবার মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন বরগুনা জেলা কারাগারের ফটকে মেয়ের সঙ্গে দেখা করে এসে সাংবাদিকদের কাছে এই অভিযোগ করেন।
মোজাম্মেল আরও বলেন, ‘স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে কী বলেছে, তা মেয়ের কাছে জানতে চেয়েছি। জবাবে সে বলেছে, পুলিশ যেভাবে বলতে বলেছে, জবানবন্দিতে সেভাবেই বলেছি।
এদিকে রিফাত হত্যার অন্যতম প্রধান আসামি রিফাত ফরাজী গতকাল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। দুই দফা রিমান্ড শেষে বরগুনা বিচারিক হাকিমের আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তিনি এই হত্যাকাণ্ডে মিন্নির জড়িত থাকার বিষয়ও স্বীকার করেন।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী ও নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিও আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ১৬৪ ধারায় বিচারক মোহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম গাজীর কাছে মিন্নি এই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
বরগুনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডে মিন্নির সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। রিমান্ডের দ্বিতীয় দিনে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকারে করে আদালতে জবানবন্দি দিতে চায়।”
এ নিয়ে ১৫ আসামির ১৪ জনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়া হলো। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হুমাযুন কবির সাংবাদিকদের জানান, রিফাত হত্যার ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে রিফাত ফরাজী জবানবন্দি দিয়েছেন।
জেড





