রাজধানীর চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ কিংবা আহতদের ভর্তি নিতে সব হাসপাতালকে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার সকালে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি জানা যায়। সূত্রে জানা যায়, সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালকে চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আহত কিংবা দগ্ধদের ভর্তি নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
তিনি আর বলেন,ডিএনএ পরীক্ষায় ম্যাচ করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
অগ্নিদদগ্ধদের অনেকের দেহ পুড়ে বিকৃত হয়ে গেছে। তাদের মরদেহ দেখে শনাক্ত করার কোনো উপায় নেই।
ডিএনএ টেস্ট করে তাদের পরিচয় শনাক্ত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ।
নিখোঁজদের খোঁজে ঢাকা মেডিকেলসহ রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে ঘুরছেন তাঁদের স্বজনেরা।
আগুনের সূত্রপাত হওয়া রাজ্জাক ভবনের সামনে ভবনের সামনে তিনটি মোটরসাইকেলে ছয়জন ছিল। তাঁদের চারজনের খোঁজ পাওয়া গেলেও সিয়াম ও রোহান নামের দুজনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
অগ্নিকাণ্ডে নিখোঁজ একজনের বাবা মোহাম্মদ হোসেন ঢাকা মেডিকেলের সামনে বসে কাঁদছেন।
ঢাকা মেডিকেলের সামনে দেখা গেছে নূর এ আনহা নামে এক নারীকে। তিনি খুঁজতে এসেছেন তার ভাই মো. মাহিরকে। এছাড়া, জহির উদ্দিন নামের একজন নিখোঁজের তথ্য পাওয়া গেছে ।
বুধবার রাত সাড়ে ১০টার পর চকবাজারের নন্দকুমার দত্ত রোডের শেষ মাথায় মসজিদের পাশে ৬৪ নম্বর হোল্ডিংয়ের ওয়াহিদ ম্যানসনে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।
স্থানীয়রা জানায়, ওই ভবনের কারখানা থেকে আগুন ছড়িয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, বিকট শব্দে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়ায়। ওয়াহিদ ম্যানসনের নিচতলায় প্লাস্টিকের গোডাউন ছিল। ওপরে ছিল পারফিউমের গোডাউন।
খবর পেয়ে এ আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সাঁটানো বোর্ডে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ৭৬ মারদেহ উদ্ধারের তথ্য দেয়া হয়।
তারা বলছেন, এখন পর্যন্ত আহত অবস্থায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ বা আহত হয়ে ৪১ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এএস





