ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা সেতুর টোল এলাকা থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ টা পর্যন্ত ১১ঘন্টায় ৩৫ কি.মি. যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ছুটিতে বাড়ীতে যাওয়া মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক যাত্রীরা পায়ে হেটে গন্তব্যে যেতে বাধ্য হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জুন) দুপুরে ঘরমুখী ঈদ যাত্রীদের চরম দূর্ভোগ দেখে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের স্থানীয় জাতীয় সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা দলীয় নেতাকর্মী নিয়ে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় যানজট নিরাসনে কাজ করেন।
কুমিল্লাগামী এসআলম পরিবহনের যাত্রী জসিম প্রধান জানান, কাচঁপুর সেতু থেকে মেঘনা সেতু পার হতেই আমাদের ৬ ঘন্টা সময় বাসে বসে থাকতে হয়েছে। নোয়াখালীর যাত্রী আরিফ মাসুদ জানায়, তীব্র যানজট ও গরমে আমাদের সাথে থাকা নারী, শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। প্রত্যেক যানজটের কবলে পড়ে অবর্বণীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয় আমাদের।
চট্টগ্রাম পরিবহনের যাত্রী নাঈম মোল্লা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এত পুলিশ সদস্যরা মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করার পরও কেন যানজটের কবলে পড়তে হয় আমাদের। তারা জানায়, পুলিশের কতিপয় সদস্যদের চাদাঁবাজীর কারনেই আমাদের যানজটের কবলে পড়তে হয়।
বৃহস্পতিবার অনুসন্ধান চালিয়ে, কাচঁপুর এলাকায় মহাসড়কের উপর বিভিন্ন যাত্রীবাহী পরিবহন থামিয়ে চিহ্নিত চাঁদাবাজ একাদিক মামলার আসামী হেলাল মিয়া, আমজাদ হোসেন, ও শিমরাইল এলাকায় সামাদ বেপারী, সোহেল মিয়া সহ আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যদের চাদাবাজীর কারনে প্রতিদিন মহাসড়কে যানজট লেগেই থাকে। এ ছাড়া শিমরাইল মোড় ও কাচঁপুর এলাকায় অবৈধ স্থাপনা নির্মান, মহাসড়কের উপর কাউন্টার সার্ভিস বসিয়ে পরিবহন দাড় করিয়ে রেখে যানজটের সৃষ্টি হয়। এছাড়া পুলিশের কতিপয় কর্তারা পরিবহন দাড় করিয়ে রেখে যানজটের সৃষ্টি করেন। কাউন্টার ব্যবসায়ীরা অবৈধ স্থাপনা দখল করে চাদাঁবাজরা থানা পুলিশ ও কাচঁপুর হাইওয়ে পুলিশকে ম্যানেজ করেই ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
এমই/ ইকবাল





